1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
জোবায়েদ হত্যায় বর্ষা-প্রেমিক মাহিরের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম

জোবায়েদ হত্যায় বর্ষা-প্রেমিক মাহিরের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৩৬ বার পঠিত
জোবায়েদ হত্যা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন সোমবার সকালে টিউশনিতে যাওয়ার পথে নির্মমভাবে খুন হন। শুরুতে এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর প্রেমঘটিত রহস্য।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে, এই হত্যার কেন্দ্রে ছিলেন এক কলেজছাত্রী—বার্জিস শাবনাম বর্ষা। তদন্তে জানা যায়, বর্ষার দীর্ঘ ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বুরহান উদ্দীন কলেজের ছাত্র মাহির রহমানের সঙ্গে। তারা শৈশব থেকেই প্রতিবেশী, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই একে অপরের প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরতে থাকে। সম্প্রতি সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়, আর সেখান থেকেই জন্ম নেয় রক্তাক্ত প্রতিশোধের গল্প।

পুলিশ জানায়, সম্পর্ক ভাঙার পর বর্ষা মাহিরকে জানায়—সে এখন জোবায়েদকে পছন্দ করে। তবে বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না, এমনকি ফোনে বা মেসেঞ্জারে কোনো ঘনিষ্ঠ আলাপের প্রমাণও পাওয়া যায়নি। কিন্তু এই ‘পছন্দ’ কথাটিই আগুনে ঘি ঢেলে দেয়। আহত অহংকার ও ক্রোধে অন্ধ হয়ে যায় মাহির রহমান। এরপর সে তার এক বন্ধু নাফিসকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পনা করে জোবায়েদকে হত্যা করার।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বর্ষা নিজেই স্বীকার করেছে যে, তার কথাতেই মাহির ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সে বলেছিল জোবায়েদকে পছন্দ করে, কিন্তু জোবায়েদের কাছে তা জানানোর আগেই সব শেষ হয়ে যায়।”

আরও জানা যায়, বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদের বন্ধু সৈকতের পরিচয় হয় ফেসবুকে। বর্ষা সৈকতের মাধ্যমে জোবায়েদের সম্পর্কে জানত, তবে তাদের মধ্যে কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল না। ঘটনার পর সৈকতকে মেসেজ পাঠিয়ে বর্ষা প্রথমে জোবায়েদের মৃত্যুর খবর দেয়।

অদ্ভুত ব্যাপার হলো—পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বর্ষাকে দেখা গেছে একেবারেই স্থির, কোনো কান্না, ভয় বা অনুশোচনার চিহ্ন নেই। ওসি বলেন, “বর্ষা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি শান্ত ও চিন্তামুক্ত ছিল। তার চোখে অনুশোচনার ছাপ একটুও পাইনি।”

গতকাল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুরান ঢাকার একটি বাসার তৃতীয় তলায় সংঘটিত হয় এই হত্যাকাণ্ড। সিঁড়ি বেয়ে উঠে রক্তের দাগে ভরে যায় পুরো বাড়িটি। তৃতীয় তলার সিঁড়িতেই পড়ে ছিল জোবায়েদের নিথর দেহ, বুকে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর রাত ১০টা ৫০ মিনিটে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিডফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাত ১১টার দিকে পুলিশ প্রটোকলে বর্ষাকে তার নিজ বাসা থেকে থানায় নিয়ে আসা হয়, শুরু হয় টানা জিজ্ঞাসাবাদ। এদিকে, মূল অভিযুক্ত মাহির রহমান ও তার সহযোগী নাফিসকে ধরতে পুলিশ তৎপর।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..