সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক ,
গাড়ি চালানোর আড়ালে গোপনে মাদক বাণিজ্য—অবশেষে ধরা পড়ল রুবেল বেপারী (৩৭) ও মিরাজুল ইসলাম (৪২)। দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছিল এই চক্র। ভোরের অন্ধকারে তারা ভেবেছিল পার পেয়ে যাবে, কিন্তু পুলিশের গোয়েন্দা নজর এড়াতে পারেনি।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ভোরে মিরসরাই থানা পুলিশ মহাসড়কের বড়তাকিয়া এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায়। এ সময় ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এই দুই কারবারিকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার রুবেল বেপারী ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার চন্দীপুর এলাকার বকু বেপারীর ছেলে, আর মিরাজুল ইসলাম ঢাকার মুগদা থানার মান্ডা এলাকার আবু বকর মোল্লার পুত্র। রুবেল ছিলেন ‘রিল্যাক্স কুং এসি এয়ারকন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের চালক, আর মিরাজ তার সহকারী।
পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বড়তাকিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে ‘রিল্যাক্স কুং’ বাসটিকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে ড্রাইভারের সিটের পাশের বক্সে লুকানো দুটি প্যাকেটে পাওয়া যায় ১০ হাজার ইয়াবা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
মিরসরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, “বাস চালক রুবেল ও সহকারী মিরাজ দীর্ঘদিন গাড়ি চালানোর আড়ালে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তাদের গ্রেপ্তারের পর ইয়াবাসহ বাসটি জব্দ করা হয়েছে।”
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে দুইজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে, জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ একই দিনে বারইয়ারহাট পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিন মাদক কারবারি—এনামুল হক রানা (২৪), মো. সোহেল (৪০) ও মো. আল আমিন (২০)—কে ৪৩ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের শেষে আদালতে পাঠানো হয়। জোরারগঞ্জ থানার ওসি এম আবদুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।