1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মুসলিম নারীকে বোরকা পরে ঢুকতে দেননি হাসপাতাল - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন

মুসলিম নারীকে বোরকা পরে ঢুকতে দেননি হাসপাতাল

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৫৫ বার পঠিত
বোরকা

“নয়াদিল্লির সরকারি হাসপাতালে মুসলিম নারীর বোরকা পরা হওয়ায় প্রবেশ নিষিদ্ধ, জনমনে ক্ষোভ”

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির গুরু তেগ বাহাদুর (জিটিবি) হাসপাতালে এক মুসলিম নারীকে বোরকা পরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাবাসসুম নামের ওই নারী জানিয়েছেন, সম্প্রতি তিনি সন্তান প্রসব করা ননদকে দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে হাসপাতালে ঢুকতে দেননি, যদিও তার কাছে বৈধ ভিজিটর কার্ড ছিল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে নিরাপত্তারক্ষীকে বলতে শোনা যায়, “আপনি বোরকা পরে এখানে যেতে পারবেন না।” অন্য দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করতে পারলেও তাবাসসুমকে সরাসরি বাধা দেওয়া হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ নভেম্বর। নাগরিক অধিকার গোষ্ঠী এবং শিক্ষাবিদরা এই আচরণকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাবাসসুমের পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, নিরাপত্তারক্ষীদের এই আচরণ অপমানজনক এবং অসাংবিধানিক। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, “মুসলিমরা কি এখন তাদের অসুস্থ আত্মীয়দের দেখতেও বাধাপ্রাপ্ত হবেন?”

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইরফান আহমেদ বলেন, “এটি কুসংস্কারের উদ্বেগজনক স্বাভাবিকীকরণের প্রমাণ। প্রথমে স্কুল-কলেজে, এখন হাসপাতালে। এর ফলে সংখ্যালঘুরা গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক প্লেসে নিরাপত্তাহীন বোধ করছেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ইসলামফোবিয়া এখন কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি দৈনন্দিন জীবনেও ছড়িয়ে পড়েছে।”

অধিকারকর্মীরা জানান, ভারতে মুসলমানরা বারবার আবাসন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা এমনকি স্বাস্থ্যসেবায়ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। যদিও কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু হাসপাতালে নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে দর্শনার্থীদের নিকাব খুলতে বলা হয়, জিটিবি হাসপাতালে এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নীতি নেই। হাসপাতালের কর্মীদের যুক্তি হলো, এটি প্রোটোকল নয়, পক্ষপাতের একটি স্পষ্ট উদাহরণ।

মঙ্গলবার পর্যন্ত হাসপাতাল প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। সূত্র : এমএনটিভি

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..