1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
পাহাড়ে সেনা হটাও স্লোগান, কার স্বার্থে? - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

পাহাড়ে সেনা হটাও স্লোগান, কার স্বার্থে?

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৩৬ বার পঠিত
মিথ্যা ধর্ষণ নাটকে ইউপিডিএফের নতুন চক্রান্ত

অনলাইন ডেস্ক ,

ভারতের প্রতিটি পাহাড় এখন সেনা উপস্থিতির দখলে। কাশ্মীর, লাদাখ, নাগাল্যান্ড, আসাম কিংবা মণিপুর—যেখানেই তাকাও, দেখা মিলবে সেনা ক্যাম্প, বাঙ্কার আর প্রতিটি গিরিপথে কঠোর চেকপোস্টের। শুধু কাশ্মীরেই সাত লাখ সেনা মোতায়েন! অথচ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা উপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয় বারবার। কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী ও তাদের ছত্রছায়ায় থাকা পাহাড়ি গোষ্ঠী ‘সেনা হটাও’ স্লোগানে সরব, আর এতে যোগ দিচ্ছে দেশের কিছু তথাকথিত বাম ও সুশীল মহল।

তথ্য বলছে, ভারত নিজের পাহাড়ে সেনা মোতায়েন করে বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন নামের অভিযানে প্রতিদিন গড়ে সাত-আটজন মানুষ হত্যা করছে। নাগাল্যান্ডে ৬০ বছর ধরে চলছে সেনা অভিযান। অরুণাচল প্রদেশে চীনের ভয় দেখিয়ে পাহাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য সেনাঘাঁটি। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ভারত নিজের নিরাপত্তার অজুহাতে পাহাড় দখলে রাখলেও বাংলাদেশের পাহাড়ে সেনা থাকলে মানবাধিকার আর গণতন্ত্রের বুলি আওড়ায়—এটাই কূটনৈতিক দ্বিচারিতা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহীদুজ্জামান বলেন, “ভারত নিজের পাহাড়ে সেনা পাঠিয়ে দমননীতি চালায়, অথচ বাংলাদেশের সেনা উপস্থিতি নিয়ে কূটচাল খেলে। এটি নিছক রাজনৈতিক নয়, কৌশলগত চক্রান্তও।”

১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর সেনা ক্যাম্প ৪৫০ থেকে কমে দাঁড়ায় ২৩২-এ। এরপর ইউপিডিএফসহ নানা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে; বেড়ে যায় চাঁদাবাজি, অপহরণ, হত্যাকাণ্ড। প্রতিবারই তারা ‘সেনা হটাও’ স্লোগানে সরব হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, এই আন্দোলনের পেছনে ভারতের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে—কারণ ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প রয়েছে ভারতের মিজোরামে, যেখানে তারা অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে প্রবেশ করছে।

পাহাড়ে দায়িত্বে থাকা এক ব্রিগেড কমান্ডার বলেন, “ইউপিডিএফ ভারতীয় মিজোরাম থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। সেনাক্যাম্প ছাড়া এই নাশকতা ঠেকানো অসম্ভব। অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প স্থাপন জরুরি।”

খাগড়াছড়ি জোনের এক লে. কর্নেল বলেন, “মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সেনা হটাও আন্দোলন তোলা হচ্ছে। সেনা না থাকলে পাহাড়ের আইনশৃঙ্খলা কে দেখবে?”

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের কয়েকটি সংস্থা সরাসরি এসব বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে অর্থায়ন করছে। অস্ত্র পাচার হয় মিজোরাম ও ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে। লক্ষ্য—বাংলাদেশের পাহাড়ে সেনা উপস্থিতি কমিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করা।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর এমদাদ বলেন, “বাংলাদেশের ভৌগোলিক গঠনে পাহাড় নিয়ন্ত্রণ কঠিন। প্রতিটি গ্রুপ ভিন্ন মতাদর্শে চলে। সেনা ছাড়া প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব।”

অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান বলেন, “ভারতের উদ্দেশ্য স্পষ্ট—বাংলাদেশের পাহাড়কে অস্থিতিশীল রেখে চট্টগ্রাম বন্দর ও ট্রানজিট রুটে প্রভাব বাড়ানো।”

পাহাড়ের ব্যবসায়ী ও কৃষকরা বলেন, সেনা থাকলেই নিশ্চিন্তে কাজ করা যায়। মুদি দোকানি আবুল কালাম জানান, “সেনা ক্যাম্পের আশেপাশে চাঁদা দিতে হয় না, দূরে গেলে সন্ত্রাসীরা টাকা তোলে।”

বান্দরবানের কলেজছাত্রী অথনু চাকমা বলেন, “সেনা না থাকলে রাতে বাইরে বেরোনো যায় না। সেনা থাকলেই আমরা নিরাপদ।”

বিশ্বের প্রায় দেশেই পাহাড়ি অঞ্চলে সেনা উপস্থিতি স্বাভাবিক। ভারত, চীন, পাকিস্তান, নেপাল—সব দেশেই সীমান্ত নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনে স্থায়ী সেনা মোতায়েন রয়েছে। কাশ্মীর থেকে লাদাখ, তিব্বত থেকে গিলগিত—সব জায়গায় পাহাড় মানেই সেনাঘাঁটি।

অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান বলেন, “বিশ্বজুড়েই পাহাড়ে সেনা থাকে নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য। কৌশলগত কারণে এটি প্রয়োজনীয়।”

এদিকে খাগড়াছড়ির ‘ধর্ষণ নাটক’ প্রসঙ্গে গোয়েন্দারা জানান, এটি ভারতের তৈরি নীলনকশা। মেডিকেল রিপোর্টে কোনো ধর্ষণের প্রমাণ মেলেনি, অথচ ইউপিডিএফ এই নাটক ব্যবহার করে পাহাড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে ঘটে। অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, অবরোধে সহিংসতা হয়, ইউপিডিএফ সদস্যরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “এই ঘটনার পেছনে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ইন্ধন রয়েছে। তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..