1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
নদীর করাল গ্রাসে দিনমজুর থেকে নেমেছেন ভিক্ষাবৃত্তিতে - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

নদীর করাল গ্রাসে দিনমজুর থেকে নেমেছেন ভিক্ষাবৃত্তিতে

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪৪ বার পঠিত
নদীর করাল গ্রাসে দিনমজুর থেকে নেমেছেন ভিক্ষাবৃত্তিতে

নদী ভাঙনে নিঃস্ব, বৃদ্ধ দম্পতির চোখে দুঃখের ছাপ।
অনলাইন ডেস্ক

    ভিটামাটি হারিয়ে তিনবার নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত, শেষ আশ্রয় বেড়িবাঁধ। দিনমজুর জীবন থেকে নামছেন ভিক্ষাবৃত্তিতে। এক পা ভেঙে প্রায় দেড় মাস ঘরবন্দি, যা যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।

    চিকিৎসা নেই, ওষুধ নেই, খাবারের সংকট। অর্ধাহারে অনাহারেই কাটছে অসহায় দম্পতির দিন। কেউ নেই দেখার মতো।

    ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে ফেরিঘাট সংলগ্ন বেড়িবাঁধে বসবাস করেন নুরুল হক (৮০) ও স্ত্রী রেনু বেগম (৬৫)। বয়সের ভারে ন্যুয়ে পড়া স্বামী-স্ত্রীর সংসার। একমাত্র মেয়ে ঢাকায় বসবাস করেন।

    তাদের বাড়ি ছিল কাচিয়া ইউনিয়নের বাড়ৈপুর গ্রামে। ৩২ বছর আগে মেঘনা নদীতে পৈতৃক জমি বিলীন হয়। পরে কোড়ারহাট এলাকায় অন্যের জমিতে আশ্রয় নেন। ৭-৮ বছর পর আবার নদী ভাঙায় পূর্ব ইলিশার কালুপুর আদর্শ গ্রামে এসে বাস করেন।

    তিন বছর না যেতেই ফের নদী ভাঙনের শিকার হন। সব হারিয়ে এখন শেষ আশ্রয় বেড়িবাঁধের ঝুপড়ি। স্থানীয়রা চাঁদা তুলে ছোট ঘর নির্মাণ করেন।

    এক সময় গাজীপুর বাজারে পরিচ্ছন্ন কর্মী ছিলেন নুরুল হক। বাজারটি এখন নেই। বয়সের কারণে কেউ ডাকেন না, আয়-রোজগার বন্ধ। অভাবে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামেন তিনি ও স্ত্রী।

    অবস্থা আরও খারাপ হয়, এক পা ভেঙে প্রায় দেড় মাস ঘরবন্দি। ইলিশা চডার ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা মাঝে মাঝে খাবার দেন, তবুও অধিকাংশ সময় অর্ধাহারে কাটে দিন।

    অসহায় নুরুল হক গণমাধ্যমকে বললেন, ‘বাড়ৈপুর, কাচিয়া, কালুপুর গাঙ্গে বাইঙ্গা সব চলে গেছে। তিন বার ভাঙার পর বাঁধের পাশে আছি। আমার কেউ নেই। মেয়ে ঢাকায় থাকে। ভাই বাইঙ্গায়। সরকারের কাছে সাহায্য চাই, একটা ঘর চাই।’

    রেনু বেগম বলেন, ‘ঘর নেই, বেড়ির পাশে ভাঙা ঘরে থাকি। চলাফেরা, খাবার সব সমস্যা। সাহায্য চাই, আল্লাহর নামে ঘর চাই।’

    মেয়ে রহিমা বলেন, ‘স্বামী নেই, মেয়ে নিয়ে ঢাকায় কষ্টে আছি। বাবা-মা একা, খাবার-ঘর নেই। সরকার সাহায্য করলে ভালো হত।’

    পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের প্রশাসক মিথুন চক্রবর্তী বলেন, ‘নুরুল হকের খবর পেয়ে যাচাই-বাছাই করে সব ধরনের সাহায্য দেবো।’

    ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নদী ভাঙনে নুরুল হক বাস্তুহারা হয়েছেন। তাঁকে দেখার কেউ নেই। নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সাহায্যের চেষ্টা করব।’

    পোস্টটি শেয়ার করুন

    এই বিভাগে আরও খবর..