রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
ট্রেন্ডের নখ কি পবিত্রতা নষ্ট করছে? জেনে নিন আজ!
অনলাইন ডেস্ক
নতুন ফ্যাশন ধারার প্রতি মানুষের আগ্রহ এখন আকাশচুম্বী। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ট্রেন্ডে কেউ সাজে পায়ের নখে রঙ, কেউ আবার শখ করে রাখেন হাতের নখ বড়। কিন্তু এই আধুনিক রুচির রূপ কতটুকু ধর্মসম্মত—সে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিশেষ করে ইসলাম ধর্মে নখ বড় রাখা কতটা গ্রহণযোগ্য, তা জানেন না অনেকেই।
ইসলামic শরিয়তে নখ বড় রাখা নিরুৎসাহিত—এমনকি অনেক ফকিহ একে সরাসরি নাজায়েজ বলে মত দিয়েছেন। নিয়মিত নখ ছাঁটা ও পরিচ্ছন্ন রাখা ইসলামের মৌলিক ফিতরাত বা প্রাকৃতিক সুন্নতের অংশ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘পাঁচটি বিষয় ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত: খৎনা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার, নখ কাটা, বগলের লোম উঠানো ও গোঁফ ছোট করা।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৯২)
হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ফিতরাত-সম্পর্কিত এসব কাজ ৪০ দিনের মধ্যে অন্তত একবার করা আবশ্যক—তা না হলে তা অবহেলা হিসেবে গণ্য হবে। (মুসলিম, হাদিস: ২৫৮)
বিখ্যাত ফকিহ ইমাম নববী (রহ.) বলেন, নখ কাটা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই সুন্নাত। (আল-মাজমু: ১/৩৩৯) পাশাপাশি, যদি নখ বড় হয়ে যায় এবং অজুর সময় তার গোড়ায় পানি না পৌঁছে—তাহলে সেই অজু হবে অকার্যকর। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২২)
আরও চমকপ্রদ ঘটনা বর্ণনা করেন আবু ওয়াসিল। তিনি একবার সাহাবি আবু আইয়ুব আনসারি (রা.)-এর সঙ্গে দেখা করলে, তার বড় নখ দেখে তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি তো আকাশের খবর জানতে চাও, অথচ তোমার নখ পাখির মতো যেখানে ময়লার স্তূপ জমে থাকে!’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২৩০১১)