1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
নবজাতক মেয়েশিশুর কানে আজান দেওয়া কি অত্যাবশ্যক? - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

নবজাতক মেয়েশিশুর কানে আজান দেওয়া কি অত্যাবশ্যক?

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৮২ বার পঠিত
আজান
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

সন্তান জন্মের পর তার কানে আজান দেওয়া সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার নাতি হাসানের কানে আজান দিয়েছেন বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। আবু রাফে (রা.) বলেন,

رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ أَذّنَ فِي أُذُنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ حِينَ وَلَدَتْهُ فَاطِمَةُ بِالصّلَاةِ।

আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসান বিন আলি (রা.) জন্মগ্রহণ করার পর তার কানে নামাজের আজানের মতো আজান দিতে দেখেছি। (সুনানে আবু দাউদ: ৫১০৫)।

বিখ্যাত হাদিস ব্যাখ্যাকার মোল্লা আলি কারি (রহ.) এ হাদিসটি উল্লেখ করে বলেন, এটি প্রমাণিত করে যে নবজাতকের কানে আজান দেওয়া সুন্নত। (মিরকাতুল মাফাতিহ: ৮/৮১)

কিছু হাদিসে ডান কানে আজান এবং বাম কানে ইকামত দেওয়ার কথা এসেছে। এজন্য আলেমরা নবজাতকের ডান কানে আজান দেওয়ার পাশাপাশি বাম কানে ইকামত দেওয়াকে মুস্তাহাব মনে করেছেন।

আজান এবং ইকামতের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে ভেদাভেদ নেই। জন্মের পর উভয় সন্তানকেই কানে আজান ও ইকামত দেওয়া সুন্নত। অনেক সময় মেয়ে হলে কেবল আজান দেওয়া হয়, ইকামত দেওয়া হয় না বা আদৌ কিছু দেওয়া হয় না, যা সঠিক নয়। ছেলে ও মেয়ে সন্তানের জন্য একইভাবে ডান কানে আজান ও বাম কানে ইকামত দেওয়া উচিত।

নবজাতকের কানে আজান যেমন নামাজের আজানের মতো হতে হবে, তেমনি আজানের সব বাক্য উচ্চারণ করা আবশ্যক। বিশেষ করে “হাইয়া আলাস সালাহ” এবং “হাইয়া আলাল ফালাহ”-এর সময় নামাজের আজানের মতো চেহারা ডানে-বামে ঘোরানো উচিত।

এছাড়া পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নবজাতকের কানে আজান দিতে পারেন। এটি নামাজের দিকে আহ্বান করার জন্য নয়, তাই খুব উচ্চস্বরে না বলে, নারীরা শিশুর ডান কানে আজান এবং বাম কানে ইকামত দিতে পারবেন। তবে নারীর জন্য হায়েজ বা নেফাস থেকে পবিত্র থাকা জরুরি।

এছাড়া, নবজাতকের কানে আলাদা ভাবে আজান দেওয়া সুন্নত, এমনকি মসজিদে যদি আজান দেওয়া হয়, তবুও নবজাতকের কানে আলাদা আজান দিতে হবে। কারণ এটি একটি স্বতন্ত্র সুন্নত, যা মসজিদের আজানের মাধ্যমে আদায় হবে না।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..