1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বায়না মানলেই বুদ্ধিমান অভিভাবক নন আপনি - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

বায়না মানলেই বুদ্ধিমান অভিভাবক নন আপনি

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পঠিত
বুদ্ধিমান অভিভাবক

সব আবদার পূরণ করলে বিপদ! শিশুর মানসিকতা গড়তে আগে ভাবুন, তারপর দিন
অনলাইন ডেস্ক

শিশুরা কখন কী চায়, কেন চায়—তা অনেক সময় মা-বাবার পক্ষেও বোঝা কঠিন। এক মুহূর্তে আইসক্রিম, পরক্ষণেই চকোলেট, তার খানিক পরেই নতুন খেলনার আবদার। আর না পেলে শুরু হয় কান্নাকাটি, চিৎকার, গড়াগড়ি। অনেক বাবা-মা শান্তির খোঁজে সব আবদার মেটাতে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, এই অভ্যাসই আপনার সন্তানের মধ্যে গড়ে তুলছে অসহিষ্ণুতা, অহেতুক চাহিদা আর আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তানের সব চাওয়া পূরণ করা যেমন খারাপ, তেমনই না ভেবেচিন্তে সব আবদার মেনে নেওয়াও ক্ষতিকর। সন্তানের চাহিদা পূরণের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক মাথায় রাখা দরকার।

প্রথমেই ভাবুন, সে যে জিনিসটি চাইছে, সেটি তার সত্যিকারের প্রয়োজন কি না। শুধুমাত্র অন্যদের দেখে বা মুহূর্তের ইচ্ছে থেকে সে সেটা চাইছে কি না, যাচাই করুন।

এরপর দেখুন, সে জিনিসটি কতদিন ব্যবহার করবে। আজ কিনলেন, কাল খেলেই পাশে ফেলে রাখবে—তাহলে সেটা কেবল আবর্জনা হয়ে যাবে।

আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী কিনুন। শিশু বুঝতে শেখে আপনি কীভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। দামি খেলনা কিনে দিলে সে কখনো টাকার মূল্য বুঝবে না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নিয়মে আনুন। প্রতিদিন নতুন কিছু নয়, বরং মাসে একবার বা নির্দিষ্ট সময় অন্তর আবদার পূরণ করুন।

আর নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন—আপনার সিদ্ধান্ত তার ভবিষ্যৎ গঠনে সাহায্য করছে তো?

শিশুদের আজই শেখাতে হবে, সব কিছু চাইলে পাওয়া যায় না। কারণ বড় হয়ে জীবনটা বায়নার মতো কাজ করে না! এই বাস্তবতা তাকে যত তাড়াতাড়ি বোঝানো যায়, ততই ভাল।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..