বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক,
প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংস্কার সম্পন্ন না করে নির্বাচন আয়োজন করলে সেটি বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তাহের বলেন, “ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা দেখি না। তবে সেই নির্বাচনকে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হলে সরকারকে এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন অপরিহার্য।”
তিনি আরও বলেন, “সংস্কার ছাড়া নির্বাচন মানে সেটিকে বিতর্কের মুখে ঠেলে দেওয়া। জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, তাহলেই তা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।”
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, “ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হওয়া উচিত। কারণ, জনগণের অংশগ্রহণে গঠিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। অতীতের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে—একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচনই সব সংকটের সমাধান দিতে পারে।”
ভারতে অবস্থান সংক্রান্ত গুজব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমি জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিয়েছি। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য কিছুদিন অবস্থান করেছি। আমার নামে ছড়ানো গুজব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এখন তো এআই প্রযুক্তি দিয়ে যেকোনো ভিডিও বানানো যায়—মানুষ এসব বুঝতে পারে।”
৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারি প্রতিনিধিদলে অংশ নেন পাঁচ রাজনৈতিক নেতা—বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াত নেতা ডা. তাহের, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ড. তাসনিম জারা। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যোগ দেন জামায়াত নেতা মোহাম্মদ নকিবুর রহমান।