বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
উত্তরার বাতাসে কান্না, প্রতিবাদ আর আগুনের ধোঁয়া!
অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার এ ঘটনায় অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গণমাধ্যম।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর সোয়া ২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। গণমাধ্যম জানায়, পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি হয়, চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল থেকে সংবাদকর্মী মুকিমুল আহসান জানিয়েছেন, সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে, তাদের তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। একই সঙ্গে জানা গেছে, উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো ১৬৫ জন আহত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ৮ জন, বার্ন ইনস্টিটিউটে ৪৬ জন, ঢামেকে ৩ জন, সিএমএইচে ২৮ জন, উত্তরা লুবনা জেনারেল হাসপাতালে ১৩ জন, উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে ৬০ জন, উত্তরা ক্রিসেন্টে একজন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে একজন, ইউনাইটেড হাসপাতালে ২ জন এবং কুর্মিটোলায় ৩ জন ভর্তি রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে বার্ন ইনস্টিটিউটে ১০ জন, ঢামেকে একজন, সিএমএইচে ১৬ জন, লুবনা হাসপাতালে ২ জন, উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে একজন এবং ইউনাইটেডে একজন রয়েছেন বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর ১টা ১৮ মিনিটে উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি এফটি-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান। বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায় বিমানে।
আইএসপিআর জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি উড্ডয়ন করেছিল ১টা ৬ মিনিটে এবং মাত্র ১২ মিনিটেই ভয়াবহ পরিণতি বরণ করে। তখন পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম ছিলেন একাই বিমানে। তার বীরত্বের সঙ্গেই ফুরালো আকাশপথের সেই শেষ উড্ডয়ন।