বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
গাড়িবহরে রক্তাক্ত হামলা, গোপালগঞ্জে আবারো উত্তেজনার আগুন!
অনলাইন ডেস্ক
গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ঠেকানো মৌলিক অধিকার হরণের শামিল। গোপালগঞ্জে সমাবেশ শেষে ফেরার পথে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে নৃশংস হামলা ও সহিংসতা চলানো হয়, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
বুধবার (১৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণ চালানো হয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর ও বেপরোয়া হামলার পেছনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সেনা ও পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, তাদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ প্রশংসার দাবিদার। পাশাপাশি হুমকি উপেক্ষা করে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া সাহসী তরুণদের কুর্নিশ জানানো হয়।
বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, এই সহিংসতার নেপথ্যে যারা আছে, তাদের বিচার হবেই। বাংলাদেশে সহিংস রাজনীতির কোনো ঠাঁই নেই। ন্যায়ের বিজয় নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার।
উল্লেখ্য, বুধবার সমাবেশ শেষে গোপালগঞ্জের পৌরপার্ক এলাকায় এনসিপির গাড়িবহর লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা চালানো হলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। ইতোমধ্যে জেলায় ১৪৪ ধারা জারি ও চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলের শীর্ষ নেতারা গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।
শেষ পাওয়া খবরে জানা যায়, এখনও গোপালগঞ্জে দফায় দফায় হামলার চেষ্টা চলছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি হামলাকারীদের প্রতিহত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।