1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ব্ল্যাক বক্স রেকর্ডিংয়ে মিলল পাইলটের সম্পৃক্ততা - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

ব্ল্যাক বক্স রেকর্ডিংয়ে মিলল পাইলটের সম্পৃক্ততা

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পঠিত
ব্ল্যাক বক্স রেকর্ডিংয়ে মিলল পাইলটের সম্পৃক্ততা

পাইলটের ইচ্ছাকৃত ভুলে লন্ডনগামী বিমানের হতাহতের তদন্ত চলছে।
অনলাইন ডেস্ক

ভারতের আহমেদাবাদে গত মাসে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের দুর্ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। সম্প্রতি ব্ল্যাক বক্স রেকর্ডিংয়ের রহস্যময় কথোপকথন বিশ্লেষণে পাইলটের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই তথ্য সত্য হলে, তদন্তে নতুন মোড় আসতে পারে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ব্ল্যাক বক্সের রেকর্ডিং ও তদন্ত রিপোর্ট থেকে এই তথ্য উদঘাটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার কয়েক মুহূর্ত আগে ককপিটে পাইলটদের কথোপকথন বিশ্লেষণ করেছেন তদন্তকারীরা। দেখা গেছে, ক্যাপ্টেন ইঞ্জিনের জ্বালানি প্রবাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং অন্য পাইলটরা সমস্যার সমাধান করার সুযোগ পাননি। এর আগেই ঘটে বিপর্যয়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের উড্ডয়নের সঙ্গে সঙ্গে ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্ডার উদ্বিগ্ন হয়ে ক্যাপ্টেন সুমিত সাবারওয়ালের কাছে প্রশ্ন করেন, কেন জ্বালানি কাটঅফ সুইচ বন্ধ করা হলো। ক্যাপ্টেন ছিলেন শান্ত, কিন্তু কেন তিনি এই সুইচটি বন্ধ করলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তদন্তকারীরা এখনো নিশ্চিত নন, এটি ইচ্ছাকৃত নাকি দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে। তদন্ত চলছে এবং ইচ্ছাকৃত হলে বিষয়টি অন্য দিক নিতে পারে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, উড্ডয়নের মাত্র তিন সেকেন্ডের মধ্যে বিমানের ইঞ্জিনের জ্বালানি কাটঅফ সুইচ বন্ধ হয়ে যায়, যা ইঞ্জিন বন্ধ করে দেয়। দ্রুত গতি কমে যাওয়ার পর বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং ২৬০ জন প্রাণ হারান।

সাধারণত জ্বালানি কাটঅফ সুইচ গন্তব্য পৌঁছানোর আগে অথবা জরুরি পরিস্থিতিতে বন্ধ করা হয়। ওই ফ্লাইটে কি এমন জরুরি অবস্থা ছিল তা স্পষ্ট নয়।

উড়োজাহাজ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জন কক্স বলেছেন, পাইলটের পক্ষে ভুলবশত এই সুইচটি বন্ধ করা প্রায় অসম্ভব। এটি সহজেই সরানো যায় না এবং কাটঅফ হলে ইঞ্জিন সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..