1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কোরবানির আগে চুল-নখ কাটলে কী হবে? - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

কোরবানির আগে চুল-নখ কাটলে কী হবে?

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫
  • ৩৬৭ বার পঠিত
চুল-নখ কাটলে

জিলহজে কোরবানির আগে চুল-নখ কাটবেন না, জানুন আসল কারণ
অনলাইন ডেস্ক

জিলহজের ১০ দিন মানেই কোরবানির প্রস্তুতি—চুল ও নখ কাটার নিষেধ কি সত্যি?
কোরবানির ঈদ শুধু একটি ইবাদত নয়, এটি মুসলিম জীবনের একটি বিশেষ আত্মিক প্রশান্তি ও আত্মত্যাগের প্রতীক। আর এই ইবাদতের শুরুটাই হয় জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন দিয়ে, যেটাকে ইসলাম সম্মানিত সময় হিসেবে উল্লেখ করেছে। কিন্তু এই সময়েই একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খায়—কোরবানি দেওয়ার নিয়ত থাকলে কি চুল ও নখ কাটা একেবারেই হারাম?

অনেকেই মনে করেন, জিলহজের প্রথম দশ দিনে চুল ও নখ কাটা একেবারেই নিষিদ্ধ। তবে ইসলামি স্কলারদের মতে, এটি হারাম নয়; বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। হাদিস অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—“যে ব্যক্তি কোরবানি দিতে চায়, সে যেন জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে পশু কোরবানি না দেওয়া পর্যন্ত নিজের চুল ও নখ না কাটে।” (সহিহ মুসলিম)।

ইমাম মালিক, ইমাম আহমদ ও ইমাম শাফি (রহ.) এই আমলকে অনুসরণীয় বলেছেন, যা সুন্নতে মুয়াক্কাদা হিসেবে বিবেচিত। অর্থাৎ এটি পালন করা অত্যন্ত ফজিলতের কাজ হলেও না মানলে গোনাহ হবে না। হানাফি মাজহাবের দৃষ্টিতে এটি উত্তম আমল, অপরিহার্য নয়।

এই সময়টি তাই শুধু পশু কোরবানির নয়, বরং নিজের নফস ও অভ্যাসকেও নিয়ন্ত্রণে আনার প্রশিক্ষণের সময়। এই সময়ে বেশি বেশি ইবাদত, তাসবিহ, তাহলিল ও রোজার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রচেষ্টা করা উচিত।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—কোরবানির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থেকেও যেন আত্মিক সংযম ও বিধানের গুরুত্ব না হারিয়ে ফেলি। অনেকে বলেন, এই সময় না কাটা চুল ও নখ যেন পশু কোরবানির সঙ্গে সঙ্গে নিজের আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে ওঠে।

একান্ত বাধ্যতামূলক না হলেও এই সুন্নতের প্রতি সম্মান দেখানো, কোরবানির ইবাদতকে আরও অর্থবহ ও হৃদয়গ্রাহী করে তোলে। কোরবানি শেষ হওয়ার পর আবার স্বাভাবিক নিয়মে চুল ও নখ কাটায় কোনো বাধা নেই।

কোরবানির পূর্ণতা চাইলে শরিয়াহর সূক্ষ্ম দিকেও খেয়াল রাখা আবশ্যক।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..