মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
সমতার ডিজিটাল বিপ্লব শুরু, পিছিয়ে থাকবে না কেউ!
অনলাইন ডেস্ক
নতুন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১৯৭৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রগতিশীল চেতনা ধারণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ডিজিটাল রূপান্তরের প্রতিটি স্তরে নারী-পুরুষের সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, ডিজিটাল যুগে প্রবেশ মানেই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন। আর এই যাত্রায় নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ ছাড়া একটি ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে প্রথমেই বৈষম্যের দেয়াল ভাঙতে হবে।
‘বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস’ উপলক্ষে আগামীকাল ১৭ মে শুক্রবার দেয়া এক ঐতিহাসিক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য—‘ডিজিটাল রূপান্তরে নারী-পুরুষের সমতায়ন’—একে তিনি সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইসিটি খাতকে শুধুই প্রযুক্তিগত অগ্রগতির বাহন হিসেবে নয়, বরং সামাজিক সমতার এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবেও দেখছে। এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় একাধিক সংস্কার ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। জনগণের সরকারি সেবা সহজ করতে চালু হচ্ছে ‘নাগরিক সেবা’ নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবাকেন্দ্রগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম পুরোদমে চালু হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নে বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ও ছাত্রীদের জন্য ‘শি-এসটিইএম’ প্রশিক্ষণ চালু করা হয়েছে। অচিরেই বাংলাদেশ যুক্ত হচ্ছে নিজস্ব স্যাটেলাইট নির্ভর হাই-স্পিড ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে, যা দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাতেও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করবে।
সবশেষে তিনি সকল পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমার পূর্ণ আস্থা, আমরা যদি একযোগে এগিয়ে যাই, তবে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আধুনিক ও সমতাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব—যেখানে সত্যিকার অর্থেই প্রতিষ্ঠা পাবে ডিজিটাল সমতা।”