মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
ঈদে রেললাইন এলাকায় পশুর হাটে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি!
অনলাইন ডেস্ক
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেললাইন সংলগ্ন এলাকা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন জমিতে রেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের অস্থায়ী পশুর হাট বসাতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
গণমাধ্যমে শুক্রবার (১৬ মে) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে মন্ত্রণালয় থেকে একটি আধা সরকারি চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পশুর হাট বসানোর কারণে রেল চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এবং জননিরাপত্তাও বিপন্ন হয়। এতে ঈদ যাত্রার সময় ট্রেনের সময়সূচি বিশৃঙ্খল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, অনেক সময় রেলওয়ের জমি বা রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় পশুর হাট বসানো হয়, যেখানে নিরাপত্তার ব্যাবস্থা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয় না। যা দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ায়। তাই সরকার এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
তবে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় কোনো এলাকায় হাট বসানো জরুরি হলে কিছু শর্ত পালন করতে হবে বলে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
সেই শর্তগুলো হলো– রেলওয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়া হাট স্থাপন করা যাবে না; ইজারাদারদের রেললাইন থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বাঁশ বা অন্য উপযুক্ত সামগ্রী দিয়ে ফেন্সিং নির্মাণ করতে হবে; ফেন্সিং এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে ট্রেন চলাচলে কোনো বাধা না আসে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত হয়; জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার সরকারি সম্পদের রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সচেতন রয়েছে। এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গৃহীত কার্যক্রমের রিপোর্ট রেলপথ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের।
ঈদুল আজহার সামনে রেখে যেসব জেলায় রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় পশুর হাট বসার আশঙ্কা বেশি রয়েছে সেগুলো হলো– মৌলভীবাজার, বগুড়া, দিনাজপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা।