মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক ,
পার্বত্য চট্টগ্রামে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বারবার সতর্ক করা হলেও, সেই সময়ে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী সরকার তৎপর হয়নি। রিপোর্টগুলোতে বলা হয়েছিল, ইউপিডিএফ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এবং দেশে ফিরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের প্রত্যক্ষ প্রশ্রয় ও রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর শক্তি সঞ্চয় হয়েছে। এ গোষ্ঠীর সর্বশেষ কার্যক্রম খাগড়াছড়িতে কিশোরী ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করা। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দুই গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ইউপিডিএফের পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কার্যক্রম সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে।
রাঙামাটির নানিয়ারচর এলাকায় আনারস বাগান ধ্বংস, বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন ঘটনা রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় নেতৃত্ব নির্দেশ বাস্তবায়ন করছে এবং স্কুল-কলেজের ছাত্রদের প্রভাবিত করে ভবিষ্যৎ ক্যাডার তৈরি করছে।
গোয়েন্দা সংস্থা বারবার সতর্ক করলেও রাজনৈতিক কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ইউপিডিএফ ১৫ বছরে নিজেদের শক্তিশালী করে পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।