1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এখন সময়ের দাবি - Janatar Jagoron

সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এখন সময়ের দাবি

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২৬ বার পঠিত
সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি

অনলাইন ডেস্ক

সাংবাদিকদের কল্যাণ ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ।

রোববার (৩১ আগস্ট) গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন ও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) ডেইলি স্টার ভবনে বিবিসি মিডিয়া এ্যাকশনের সহযোগিতায় এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সাংবাদিক সংগঠনগুলোর উদ্দেশে আলী রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক নেতারা যখন ক্ষমতায় যাবেন তখন সাংবাদিকদের কাছেই আসতে হবে। তাই এখনই তাদের ধরুন, প্রশ্ন করুন— সাংবাদিকদের জন্য কি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তাদের অঙ্গীকার করতে বলুন।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম কর্মীদের ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় কাজ করার আগে কোনো প্রতিষ্ঠানই সুরক্ষা ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে না। অথচ এর জন্য আলাদা সংস্কার কমিশনের দরকার হয় না। ওয়েজবোর্ড নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন— বাস্তবায়ন হয় না বলেই অনেকে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সন্দিহান। কেন বাস্তবায়ন হয় না? কারণ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো লাভজনক ব্যবসা হতে পারেনি। তাহলে কেন লোকসান দিয়েও চালানো হচ্ছে? নিশ্চয়ই এর পেছনে উদ্দেশ্য আছে।

আলী রীয়াজ বলেন, মালিকরা জানেন সাংবাদিকরা সরকারের পক্ষেই কাজ চালিয়ে যাবেন। তাই তারা সুবিধা নেন, অথচ পেশাগত সুযোগ দেন না। ফলে সংবাদপত্র, টেলিভিশন, রেডিও— কোনোটিই পূর্ণ স্বাধীনতা পাচ্ছে না।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, মব ভায়োলেন্সের সুবিধা সাংবাদিকদের কেউ কেউ নিচ্ছেন। একে সরিয়ে আরেকজন বসানোর ঘটনা ঘটছে। এতে একপক্ষ সুবিধা পেলেও অন্যপক্ষ সাহস হারাচ্ছে।

তার মতে, যেখানে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নিপীড়ন হয়, সেখানে সাংবাদিক আইডি কার্ড দিয়েও নিরাপত্তা পাওয়া সম্ভব নয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজেসির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক। উপস্থিত ছিলেন ইত্তেফাকের নির্বাহী সম্পাদক সালেহউদ্দিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দীন, সিনিয়র সাংবাদিক হাসনাইন খুরশেদ, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সহ-সভাপতি মুনিমা সুলতান, ডিইউজে সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল সোহেল, যমুনা টিভির সিইও ফাহিম আহমেদসহ বিজেসির ট্রাস্টি সদস্যরা। স্বাগত বক্তব্য দেন বিজেসির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন ও বিবিসি মিডিয়া এ্যাকশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আল মামুন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজেসির নির্বাহী মিল্টন আনোয়ার।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..