1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মুসা (আ.) ও খিজির (আ.)-এর ধৈর্য ও জ্ঞানের কাহিনি - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

মুসা (আ.) ও খিজির (আ.)-এর ধৈর্য ও জ্ঞানের কাহিনি

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৮০ বার পঠিত
মুসা (আ.) ও খিজির (আ.)-এর ধৈর্য ও জ্ঞানের কাহিনি

হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.)-এর মাধ্যমে এই হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে, যিনি নবী করিম (সা.)-এর কাছ থেকে এই ঘটনাটি শুনেছেন।

একবার মুসা (আ.) বনি ইসরাইলের সমাবেশে ভাষণ দিতে দাঁড়ান। তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, কার কাছে সবচেয়ে বেশি জ্ঞান আছে? তিনি বলেন, “আমার কাছে।” এই উত্তরে আল্লাহ মুসা (আ.)-র প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন, কারণ তিনি আল্লাহর জ্ঞানের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেননি।

আল্লাহ মুসা (আ.)-কে জানালেন, দুই নদীর মিলনস্থলে আমার এক বান্দা আছে, যিনি তোমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন, “হে আমার প্রভু, কীভাবে আমি তাঁর কাছে পৌঁছাতে পারি?”

আল্লাহ্ বললেন, তুমি একটি মাছ ধরে থলির মধ্যে রাখো। যেখানেই তুমি মাছটি হারাবে, সেখানেই তিনি থাকবেন। মুসা (আ.) মাছ ধরে থলির মধ্যে রাখলেন এবং তাঁর সঙ্গী ইউশা ইবনে নুনকে নিয়ে যাত্রা করলেন। তাঁরা একটি পাথরের কাছে পৌঁছে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য থামলেন। মুসা (আ.) ঘুমিয়ে পড়লেন।

মাছটি নড়াচড়া করে থলি থেকে বের হয়ে পানিতে পড়ে যায়, আর আল্লাহ পানির গতি স্তব্ধ করে দেন। মাছের চলার পথে পানি সুড়ঙ্গের মতো হয়ে যায়। নবী (সা.) হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বললেন, “এভাবে সুড়ঙ্গের মতো হয়ে গিয়েছিল।”

মুসা (আ.) এবং ইউশা ইবনে নুন অনেক পথ চলার পর ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। মুসা (আ.) বললেন, “আমার খাবার নিয়ে আসো, আমি খুব ক্লান্ত।” ইউশা বললেন, “আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন পাথরের কাছে বিশ্রাম নিয়েছিলাম, তখন মাছটি চলে গিয়েছিল, আর আমি তা ভুলে গিয়েছিলাম।”

মুসা (আ.) বললেন, “এটাই সেই স্থান যা আমরা খুঁজছিলাম।” তাঁরা পেছনের দিকে ফিরে সেই পাথরের কাছে গেলেন এবং সেখানে এক ব্যক্তিকে বসে থাকতে দেখলেন।

মুসা (আ.) তাঁকে সালাম দিলেন। তিনি বললেন, “এখানে সালাম এলো কীভাবে?” মুসা (আ.) বললেন, “আমি মুসা।” লোকটি প্রশ্ন করলেন, “আপনি কি বনি ইসরাইলের মুসা?” মুসা (আ.) বললেন, “হ্যাঁ, আমি জ্ঞান অর্জন করতে আপনার কাছে এসেছি।” তিনি বললেন, “হে মুসা, আমার কাছে কিছু জ্ঞান আছে, যা আপনি জানেন না, আর আপনার কাছে এমন কিছু জ্ঞান আছে, যা আমি জানি না।”

মুসা (আ.) তাঁকে বললেন, “আমি কি আপনার সঙ্গী হতে পারি?” তিনি বললেন, “আপনি আমার সঙ্গে ধৈর্য রাখতে পারবেন না। যেসব ব্যাপারে আপনার জ্ঞান নেই, সেসব বিষয়ে আপনি কীভাবে ধৈর্য ধরবেন?”

মুসা (আ.) বললেন, “ইনশা আল্লাহ, আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন।”

তাঁরা দুজন রওনা হলেন এবং নদীর তীরে চলতে লাগলেন। তখন একটি নৌকা তাঁদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তাঁরা তাতে উঠতে অনুরোধ করলেন। নৌকার লোকেরা খিজির (আ.)-কে চিনে নিলেন এবং তাঁদের বিনা পারিশ্রমিকে উঠিয়ে নিলেন। এর মধ্যে একটি চড়ুই পাখি নৌকার পাশে এসে বসল এবং কিছুটা পানি পান করল।

খিজির (আ.) বললেন, “হে মুসা, এই পাখিটি তার ঠোঁট দিয়ে পানির যতটুকু কমিয়েছে, আমার আর আপনার জ্ঞান আল্লাহর জ্ঞান থেকে তার চেয়েও কম।” এরপর খিজির (আ.) নৌকার একটি তক্তা উপড়ে ফেললেন। মুসা (আ.) বিস্মিত হয়ে বললেন, “আপনি কী করলেন? নৌকাটি ফুটো করে দিলেন, আমাদের বিনা পারিশ্রমিকে উঠানো হয়েছিল!”

খিজির (আ.) বললেন, “আমি কি বলিনি, আপনি ধৈর্য ধরে রাখতে পারবেন না?”

মুসা (আ.) বললেন, “আমি ভুলে গিয়েছিলাম, আমাকে ক্ষমা করুন।” এরপর তাঁরা যাত্রা অব্যাহত রাখলেন এবং একটি বালকের পাশে দিয়ে গেলেন। খিজির (আ.) তার মাথা ধরে হত্যা করলেন।

মুসা (আ.) বিস্ময়ে বললেন, “আপনি কীভাবে একটি নিষ্পাপ বালককে হত্যা করলেন?”

খিজির (আ.) বললেন, “আমি কি বলিনি, আপনি ধৈর্য ধরতে পারবেন না?”

মুসা (আ.) বললেন, “আর কোনো প্রশ্ন করলে আপনি আমাকে সঙ্গ দেবেন না।” এরপর তাঁরা একটি গ্রামে পৌঁছালেন, কিন্তু গ্রামবাসীরা তাঁদের আতিথ্য দিল না।

সেখানে একটি দেয়াল ভেঙে পড়ার উপক্রম ছিল। খিজির (আ.) সেটি সোজা করে দিলেন।

মুসা (আ.) বললেন, “আপনি চাইলে এর জন্য মজুরি নিতে পারতেন।”

খিজির (আ.) বললেন, “এখানেই আমাদের বিচ্ছেদ ঘটল। এখন আমি সেই ঘটনার রহস্যগুলো আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছি।”

নবী (সা.) বলেছেন, “যদি মুসা (আ.) ধৈর্য ধরতেন, তাহলে আমাদের কাছে আরও অনেক কাহিনি আসত।”

সুফিয়ান (র.) বর্ণনা করেন, নবী (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ মুসা (আ.)-কে রহম করুন, যদি তিনি আরও ধৈর্য ধরতেন, আমরা আরও শিখতাম।”

ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, তাঁদের সামনে একজন বাদশাহ ছিল, যে প্রতিটি সুশৃঙ্খল নৌকা ছিনিয়ে নিত। সেই বালকটি ছিল কাফির, তার মা-বাবা ছিলেন মুমিন।

সুফিয়ান (র.) আরও বলেন, আমি এই হাদিসটি বারবার শুনেছি এবং মুখস্থ করেছি।

বর্ণনা করেছেন: সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর ৩৪০১, সূরা কাহাফ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..