1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কাঁঠাল দিবসে জাতীয় ফলের রসে ভিজে যান - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

কাঁঠাল দিবসে জাতীয় ফলের রসে ভিজে যান

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পঠিত
কাঁঠাল

আজই খান জাতীয় ফল কাঁঠাল, ভিটামিনে রসে ভরপুর!
অনলাইন ডেস্ক

‘গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল’ — এই বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারার মানে দাঁড়ায়, প্রাপ্তির আগেই ভোগের আয়োজন করা। আগে বড় কাঁঠাল পাকার মৌসুমে মানুষ গোঁফে তেল মাখতো, যাতে কাঁঠাল খাওয়ার সময় গোঁফে আঠা না লাগে। তবে এখন আর গোঁফে তেল মাখার দরকার নেই, কারণ আজই কাঁঠাল খাওয়ার দিন!

প্রতি বছর ৪ জুলাই পালিত হয় কাঁঠাল দিবস। এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ২০১৬ সালে। জ্যাকফ্রুটডে ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইট কাঁঠালের পুষ্টিগুণ এবং সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে এ দিবস চালু করে।

যদিও ১৮৮৮ সালের দিকে হাওয়াইতে কাঁঠাল চাষের চেষ্টা হয়েছিল, তথ্যে জানা যায় দক্ষিণ এশিয়াই কাঁঠালের আদি ঠিকানা। যেহেতু এই ফল বাংলাদেশের জাতীয় ফল, দিবসটি আমাদের কাছে অবশ্যই বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার। আসলে বিশ্বজুড়েই কাঁঠাল এখন সমাদৃত।

কাঁঠাল এমন এক ফল, যার কোষ, বিচি, এমনকি খোসাও খাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। কাঁঠালগাছের কাঠ আসবাবে ব্যবহৃত হয়, আর পাতা গবাদিপশুর খাবার হিসেবে দারুণ জনপ্রিয়। শুকনো কাঁঠালপাতা দিয়েও প্যাকেট তৈরি করা সম্ভব।

আর স্বাদ? কাঁচা কাঁঠাল দিয়ে রান্না হয় মজাদার সবজি। আর পাকা কাঁঠালের মিষ্টি স্বাদে বাঙালির মন জেতা — এ কথা সকলের জানা। তা না হলে ‘গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল’ প্রবাদই বা আসত কোথা থেকে! কাঁচা-পাকা দুইভাবেই কাঁঠাল খাওয়া যায়। পাকা কাঁঠালের বিচিও ভীষণ সুস্বাদু। এমনকি কাঁঠালের রস দিয়ে বানানো যায় লোভনীয় ডেজার্ট।

কাঁঠাল শব্দটি এসেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে। ১৫৬৩ সালে পর্তুগিজ প্রকৃতিবিদ ও পণ্ডিত গার্সিয়া দ্য ওর্টা তার এক গ্রন্থে প্রথম জ্যাকফ্রুট বা কাঁঠাল শব্দের ব্যবহার করেন।

কাঁঠালের পুষ্টিগুণ

কাঁচা ও পাকা কাঁঠালে থাকে সমৃদ্ধ পুষ্টি উপাদান, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত দরকারি। এতে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিংক ও নায়াসিন।

প্রচুর আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায় কাঁঠাল মানবদেহের জন্য বিশেষ উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন ও ফাইবার শরীরের টিস্যুগুলোকে শক্তি জোগায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

এক কাপ কাঁঠালে থাকে ১৫৭ ক্যালোরি, ৩৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ গ্রাম ফ্যাট, ৩ গ্রাম ফাইবার এবং ৩ গ্রাম প্রোটিন। পাশাপাশি এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, সি, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, কপার ও ম্যাংগানিজ — যা আমাদের জাতীয় ফলের গৌরব।

কারা কাঁঠাল এড়িয়ে চলবেন

যদিও কাঁঠাল স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রতিকূল হতে পারে। বিশেষ করে যাদের রক্তজনিত রোগ আছে, তাদের কাঁঠাল না খাওয়াই ভালো।

অতিরিক্ত কাঁঠাল খেলে অ্যালার্জি হতে পারে। এতে থাকা পোলেন ও ল্যাটেক্স কারও কারও শরীরে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

ডায়াবেটিস বা প্রিডায়াবেটিস থাকলে কাঁঠাল বেশি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে, কারণ এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি।

সার্জারির আগে-পরে বেশি কাঁঠাল খেলে ওষুধের সঙ্গে বিক্রিয়া হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া ঠিক নয়।

গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও অতিরিক্ত কাঁঠাল না খাওয়াই ভালো।

কাঁঠাল যাদের উপকারে আসে

কাঁঠালে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যানসারের অগ্রগতি রোধে ভূমিকা রাখতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাঁঠাল বেশ উপকারী, ফলে পাইলসের রোগীরাও উপকৃত হন।

এতে থাকা প্রচুর ভিটামিন এ এবং সি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে শক্তি জোগায়।

আয়রন সমৃদ্ধ কাঁঠাল লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতেও সহায়ক। তাই রক্তস্বল্পতায় যারা ভোগেন, তারা নিয়মিত কাঁঠাল খেলে উপকার পাবেন।

(ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি কেবল সচেতনতার জন্য তৈরি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..