বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
এই গরমে আম খাচ্ছেন তো? জেনে নিন কখন, কতটুকু আর কীভাবে খেলে শরীর থাকবে সুস্থ, ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে
অনলাইন ডেস্ক
বাজারে আমের রাজত্ব চলছে! নানা ফলের ভিড়েও আমের প্রতি সবার টান যেন আলাদা। গন্ধ, স্বাদ, রঙ—সবকিছুতেই আম অতুলনীয়। কিন্তু এই মিষ্টি ফলটি খাওয়ার সময় পুষ্টিগুণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ জানতে কে কতটুকু খেতে পারবেন, কখন খাবেন, আর কোন ভুলে বিপদ ডেকে আনতে পারেন!
১০০ গ্রাম খোসা ও আঁটি ছাড়া আমে থাকে ৬৫ থেকে ৭৫ ক্যালরি, ১৭ গ্রাম শর্করা, ভিটামিন-এ প্রায় ২২০০ মাইক্রোগ্রাম, পটাশিয়াম ১০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১.৫ মিলিগ্রাম ও লাইকোপেন প্রায় ১২ মিলিগ্রাম। অন্যদিকে ১০০ গ্রাম ভাতে ক্যালরি থাকে প্রায় ১২৫ এবং কার্বোহাইড্রেট ২৫ গ্রাম। অর্থাৎ, ক্যালরির দিক দিয়ে ভাত বেশি হলেও পুষ্টিগুণে আম এগিয়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিমাণে ও সময়মতো আম খেলে এটি ভাত বা অন্য শর্করাজাতীয় খাবারের বিকল্প হতে পারে। যেমন: সকালের নাশতায় যদি ৭০ গ্রাম রুটি, একটি ডিম ও সবজি খান, তাহলে একই ক্যালরির বিকল্প হিসেবে ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম আম খাওয়া যায়। এটি প্রায় দুই থেকে তিনটি মাঝারি আমের সমান। তবে সঙ্গে অন্য কোনো শর্করা খাওয়া যাবে না।
অনেকেই রুটি, দুধভাত বা মুড়ির সঙ্গে আম খেয়ে থাকেন—যা একসঙ্গে অনেক শর্করা দিচ্ছে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বেড়ে যেতে পারে। ডায়াবেটিস বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে এটি হতে পারে ভয়াবহ।
ভুল ধারণা আছে, খালি পেটে আম খেলে গ্যাস্ট্রিক হয়। কিন্তু বাস্তবে মধ্য সকাল বা বিকেলের হালকা নাশতা হিসেবে আম খাওয়া নিরাপদ এবং উপকারী। তবে খেতে হবে নির্দিষ্ট নিয়মে।
আম খাওয়ার সময় যা মাথায় রাখবেন:
চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, “আম খেতে হলে ক্যালরি গুনে খেতে হবে, শুধু স্বাদ নয়—স্বাস্থ্যও বিবেচনায় নিতে হবে।
স্মার্ট খাওয়া মানেই স্বাস্থ্য সচেতন থাকা। আমের মিষ্টি স্বাদ উপভোগ করুন, তবে বুঝেশুনে খেয়ে রাখুন শরীরও ফিট।