1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
হৃদরোগীদের জন্য রোজার বিধি-বিধান: কী খাবেন, কী খাবেন না? - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

হৃদরোগীদের জন্য রোজার বিধি-বিধান: কী খাবেন, কী খাবেন না?

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫
  • ২৩৮ বার পঠিত
রোজার বিধি-বিধান

সাদিকা জাহান

হৃদরোগীদের মধ্যে যাদের হৃদপিন্ডের পাম্পিং ক্ষমতা ৩০% এর নিচে নেমে যায়, তাদের জন্য রোজা না রাখাই ভালো। তবে, যদি পাম্পিং ক্ষমতা ৩০% এর বেশি হয় এবং কিডনি সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো জটিলতা না থাকে, তাহলে রোজা রাখতে তেমন বাধা নেই।

ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. মাহবুবর রহমান এসব পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানান, যারা হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস দুটোই বহন করছেন, তাদের রোজায় বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

ইফতারে তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে সহজপাচ্য ও নরম খাবার খাওয়া উচিত, সঙ্গে কিছু ফলমূল রাখা ভালো, যাতে হৃদযন্ত্রের উপর চাপ না পড়ে। তারাবীর নামাজের পর নির্ধারিত ওষুধ সঠিকভাবে গ্রহণ করা প্রয়োজন। সকালে যে ওষুধগুলো খাওয়া হতো, সেগুলো সেহরির সময় নিতে হবে।

রমজান চলাকালীন যদি নতুন করে কারো হৃদরোগের সমস্যা দেখা দেয়, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বুকে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হলে ইসিজি করে নিশ্চিত হতে হবে যে এটি হৃদরোগ নাকি গ্যাসের সমস্যা।

যারা একইসাথে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের ইনসুলিনের ডোজ রোজার সময় কিছুটা সামঞ্জস্য করতে হবে। সাধারণ সময়ে সকালে ভারী ডোজ এবং রাতে হালকা ডোজ নেওয়া হয়, তবে রোজার সময় এটি পাল্টে গিয়ে বিকেলের দিকে বেশি ও সকালে কম ডোজ নিতে হয়। পাশাপাশি, অন্যান্য ওষুধের মাত্রাও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কমানো উচিত, যাতে রক্তের শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে না যায়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..