মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন পলাতক ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিচারক নিয়োগ সম্পন্ন হলে আগামী সপ্তাহে জুলাই মাসের গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার জন্য আবেদন করা হবে। শেখ হাসিনাসহ বিদেশে থাকা পলাতকদের ফেরত আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
রবিবার (১৩ অক্টোবর) ধানমন্ডির ট্রাইব্যুনালের কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
এসময় তিনি আরও জানান, বিচারক নিয়োগ দেওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কিছু আদেশের জন্য আমরা আবেদন করব। বিচার শুরুর আগে প্রয়োজনীয় কিছু যেমন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, আসামিদের বিদেশে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা, এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য-উপাত্ত জব্দ করার জন্য আদেশ চাইতে হবে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতাও প্রয়োজন হবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে আদেশ প্রদান করা হবে। কার্যকর করার দায়িত্ব ট্রাইব্যুনালের নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের কর্তব্য।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বলেন, যাদের নির্দেশে ও যাদের কারণে এই গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হবে। যেকোনো অপরাধী বিশ্বের যে কোনো স্থানে থাকলে, ইন্টারপোলের সিস্টেমের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ থাকার কারণে তাদের গ্রেপ্তারে বাংলাদেশ ইন্টারপোলে রেড নোটিশ পাঠাতে সক্ষম।
এদিকে, শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ, ১৪ দলের নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত গুম, হত্যা, গণহত্যাসহ ৬০টির অধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।