শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
রকিব হাসান প্রান্ত, জাবি প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) গঠনতন্ত্রের সংস্কার প্রক্রিয়াকে ঘিরে উঠেছে তাড়াহুড়োর অভিযোগ। অনলাইনে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মতামত নিয়ে গঠনতন্ত্রের খসড়া চূড়ান্ত করার ঘটনাকে শিক্ষার্থীরা দেখছেন ‘দায়সারা’ একটি প্রক্রিয়া হিসেবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে জাকসু গবিশ্বিবদ্যালয়ের ০ঠনতন্ত্র সংস্কারের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠিত হয় পরবর্তীতে কমিটি একটি খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে এবং সেটি ১০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খসড়া বিষয়ে মতামত চাওয়া হয় ১৭ এপ্রিলের মধ্যে। মাত্র সাত দিনের এই সময়সীমা নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এত অল্প সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি বিশ্লেষণ করে মত দেওয়া সম্ভব নয়। উচ্চ বিদ্যালয় ১৫টি নির্বাচিত বিভাগীয় সংসদ থাকলেও সেগুলোতেও প্রেরণ করা হয়নি। এতে ক্ষোভ জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
২৩ এপ্রিল উপাচার্যের কাছে খসড়া গঠনতন্ত্রটি হস্তান্তর করা হয়। খসড়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য জানানো হয়নি, এমনকি মতামত জানাতে কীভাবে অংশ নিতে হবে তাও পরিষ্কারভাবে বলা হয়নি বলে জানান অভিযোগকারীরা ।
এ বিষয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থী ও ইতিহাস সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) শাকিল আলী বলেন, নির্বাচিত বিভাগীয় সংসদ থাকার পরেও গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। অথচ সবার আগে অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা বিভাগীয় সংসদকে। গুরুত্ব না দিয়ে এভাবে কেমন সংস্কার হবে? আমার কাছে মনে হয় একেবারে ‘তামাশা’ করেছেন।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম লিমন বলেন, আমাদের অর্থবহ ও ইনক্লুসিভ সংস্কার লাগবে। সবাইকে নিয়ে না করলে পরবর্তীতে নানা জটিলতা সৃষ্টি হবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জাকসু গঠনতন্ত্র সংস্কার কমিটির প্রধান ও প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ও সদস্য সচিব অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলমের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে কল করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি।