1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রেমিট্যান্স ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন: রেমিট্যান্স ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৭ বার পঠিত
রেমিট্যান্স
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের কারণে প্রায় সাড়ে ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। তার দুই দিন পর ৮ আগস্ট ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ১৬ নভেম্বর এ সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিনে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে। সরকারের সফলতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্যে ১০টি সংস্কার কমিশন প্রতিষ্ঠা, রেমিট্যান্স বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে সংস্কার, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সহায়তা প্রদান, বিদেশি ঋণ পরিশোধ, নতুন টাকা না ছাপানো, অযাচিত প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ স্থগিত করা, ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে সংস্কার কমিশন গঠন, অর্থনৈতিক শ্বেতপত্র কমিটি তৈরি করা, বিচার ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ব্যাংকিং খাতে কর্পোরেট গভর্নেন্সের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, শুল্ক কমানো এবং কর ছাড় দেওয়া দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পাশাপাশি বৈদেশিক লেনদেনেও প্রাথমিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে।

তবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বাহিনীগুলোর সংস্কার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি নির্মূল এবং রাজনৈতিক দলের সংস্কারের ক্ষেত্রে তেমন কোনো গুণগত পরিবর্তন ঘটেনি। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাফল্যের সঙ্গে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। কর ছাড় দিয়েও নিত্যপণ্যের দাম কমানো যাচ্ছে না, পুলিশ ও আনসার বাহিনীতে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার হয়নি, জনপ্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান শেষ হয়নি, এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কারও সম্ভব হয়নি। এসব বিষয়ের ওপর বিশেষ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আশরাফ কায়সার বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, যদি মানুষ বাজারে গিয়ে সঠিক দামে পণ্য না পায়, তাহলে তার মধ্যে হতাশা তৈরি হবে এবং একসময় সেটি বিক্ষোভের রূপ নিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আরও দ্রুত গতিতে কাজ করবে এমন প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু তেমনটি দেখা যায়নি। প্রশাসনের সংস্কার না হওয়ায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের বিভিন্ন খাতে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। এখন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম শেষ করে নির্বাচন সূচি ঘোষণা করা।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..