1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রোজায় শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষা করতে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রোজায় শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষা করতে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫
  • ২৩৬ বার পঠিত
রোজায় শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষা

রোজার মাসে বড়দের তুলনায় ছোটদের আগ্রহ অনেক বেশি দেখা যায়, কিন্তু তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শিশুদের স্বাস্থ্যের প্রতি অভিভাবকদের উদ্বেগ দেখা যায়। তবে কিছু সতর্কতা মেনে শিশুদের রোজা রাখাতে সাহায্য করা সম্ভব।

শিশুকে সাত-আট বছর বয়স থেকেই রোজার অভ্যস্ত করা উচিত, তবে সেহরিতে অতিরিক্ত খাবার না দেওয়ার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। বেশিরভাগ সময় সেহরিতে শিশুদের বেশি খাইয়ে দেওয়ার ফলে বদহজম হতে পারে। তাই সেহরির মেন্যুতে তিন ভাগ পানি ও পানীয়, এক ভাগ সলিড খাবার রাখা উচিত। সেহরিতে অল্প পুষ্টিকর খাবার দিন যাতে শিশুর শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায়।

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন ভাত, ডাল, মাছ, মাংস ও সবজি সেহরিতে রাখতে পারেন। শিশুকে সবজি খাওয়াতে গেলে, সুস্বাদুভাবে তৈরি করা হতে পারে। পাশাপাশি দই ও ফল খাওয়ানো হলে তা শরীরের ক্যালসিয়াম চাহিদা পূরণ করবে এবং পাকস্থলীতে দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে।

চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন এবং বেশি তেল-মসলার খাবারের পরিবর্তে অল্প তেলে রান্না করা খাবার দিন, যেমন মাছ, ডাল, ডিম ও সবজি। ইফতারে, লেবুর শরবত, ঘরে তৈরি ফলের রস বা লাচ্ছি যেমন পানীয় রাখা যেতে পারে। এগুলো শরীরে দ্রুত শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে এবং হজমে সহায়ক হবে। এছাড়াও খেজুর, আপেল, কমলালেবু ও অন্যান্য ফল শিশুদের খাওয়ানো যেতে পারে।

ইফতারের পর দই-চিরা, অল্প মিষ্টির পায়েস, আলুর চপ, ছোলা-মুড়ি, পুডিং, কাস্টার্ড বা ডাল-চাল খিচুড়ি দিতে পারেন। একসাথে বেশি খাবার না দিয়ে দুই ধাপে খাবার পরিবেশন করা উচিত।

রোজায় অধিকাংশ সময় ইফতার পরিমাণে বেশি খাওয়া হয়, তাই রাতের খাবার সহজপাচ্য হতে হবে। ভাত, মাছ, মাংস বা ডাল একসাথে দিতে পারেন, এবং শোবার আগে এক গ্লাস দুধ খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।

শিশুর পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে সাত থেকে দশ গ্লাস পানি দিন, এবং চা বা কফি এড়িয়ে চলুন। শিশুর চোখ ভিতরের দিকে ঢুকে যাওয়া বা জিভ শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এছাড়াও, রোজার সময় শিশুর খাবারের প্রতি মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় বাসি খাবার খাওয়ানোর ফলে শিশু নানা ধরনের অসুস্থতায় ভুগতে পারে। তাই খাবার ফ্রিজে রেখে পরদিন গরম করে খাওয়ানো যেতে পারে। তবে ফ্রিজের খাবার দুই দিনের বেশি রাখা উচিত নয়।

অতএব, শিশুর রোজা রাখার সক্ষমতা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..