সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
একটাই ঘর, কাজে লাগে অনেকভাবে—জানেন কীভাবে ছোট বসার ঘরও হতে পারে লাইব্রেরি, অফিস, এমনকি শোবার ঘর?
অনলাইন ডেস্ক
শহরের ছোট ফ্ল্যাটে আলাদা করে বসার ঘর রাখা মানেই একরকম বিলাসিতা! তাই অনেকেই সেই একটাই বসার ঘরটিকে বানিয়ে ফেলেন ঘরোয়া আড্ডার আঙিনা, চা-নাশতার টেবিল, আবার প্রয়োজন হলে অফিস কিংবা ঘুমানোর জায়গা। একটু বুদ্ধি করে ব্যবহার করলে ছোট বসার ঘরটাও হয়ে উঠতে পারে বহু কাজের চৌকস জায়গা। ঠিক তেমনটাই জানালেন সৃষ্টি আর্কিটেকচার অ্যান্ড কনসালট্যান্সির স্থপতি তাসনিম তূর্যি।
বইয়ের রাজ্য ঘরেই
বই পড়তে ভালোবাসেন? তাহলে বসার ঘরের একপাশ জুড়ে বানিয়ে ফেলুন বুকশেলফ। বই রাখার মাপমতো তাক বানিয়ে নিলে জায়গাও বাঁচে, আবার ঘরটা হয়ে ওঠে বুদ্ধিদীপ্ত। সোফা বা ডিভানে বসেই বইয়ের পাতা ওলটানো যায় অনায়াসে। চাইলে একটা হ্যামকও ঝুলিয়ে নিতে পারেন—বই পড়ার আলাদা মেজাজে। আর রাতের কাজের জন্য ছোট্ট একটা ভাঁজ করা টেবিল রাখুন ভেতরের ঘরে। দরকার হলে এনে রেখে কাজ সেরে আবার তুলে রাখুন—ঘর থাকুক ঝকঝকে!
চমকে দেওয়া আসবাব
ছোট ঘরে বেশি আসবাব রাখলেই ঘিঞ্জি লাগে। তাই দরকার বুদ্ধিদীপ্ত আসবাবের। সোফার নিচে ঢুকে থাকা টুল বা ছোট স্টুল বের করে অতিথি আপ্যায়নে ব্যবহার করতে পারেন। আবার শোবার ব্যবস্থাও হতে পারে একই ঘরে, যদি এমন সোফা বেছে নেন যা ভাঁজ খুললে হয়ে যায় খাট।
আরও চমকপ্রদ হলো ‘মারফি বেড’ ধরনের খাট, যা দেয়ালের সঙ্গে একদম মিশে যায়। দরকারে টেনে নামালেই বিছানা, আবার ঠেলে রাখলেই দেয়ালের মতো দেখায়। এমনকি টিভি ট্রলির ভেতর থেকেও বের হতে পারে ছোট খাট—চমকই বটে!
গোছানো মানেই আরাম
সোফা কিংবা ডিভানের নিচটা ফাঁকা রাখুন কিছু না কিছু রাখার জন্য। যে জিনিসগুলো সব সময় লাগে না, সেগুলো গুছিয়ে রেখে দিন নিচে। আর যদি বসার জায়গার গদি তোলার মতো ব্যবস্থা করেন, তাহলে ভেতরে জিনিস রেখে আবার ঢেকে ফেলুন। তবে এ ধরনের আসনে হেলান দেওয়ার ব্যবস্থা কম থাকে, তাই যদি মজবুত আসন চান, হেলান ছাড়া ডিভানই বেছে নিন।
একটাই ঘর, কিন্তু কাজে লাগছে লাইব্রেরি, অফিস, অতিথি আপ্যায়ন আর ঘুম—স্মার্ট না বললেই নয়!