1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
নুহাশের সিনেমার ৫০ লাখ টাকার বরাদ্দ বাতিল - Janatar Jagoron
শিরোনাম
পরকিয়ার ঘটনায় মানসিক ভাঙন, বিষপানে ব্যবসায়ীর মৃত্যু কারিনা কায়সারের অসুস্থতায় ভুয়া মৃত্যুর খবর, ক্ষুব্ধ পরিবার ও বাবা কোরবানির পশুর কান্না নিয়ে কুসংস্কারের কোনো ধর্মীয় ভিত্তি নেই ভিভো বাংলাদেশে এক্সিকিউটিভ পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে নিহত সাবেক জকির গ্রুপ সদস্য ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড তথ্য সুরক্ষায় গ্রাহকদের সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক ডিম ও সবজির ঊর্ধ্বগতিতে বাড়ছে নগরজীবনের নিত্যপণ্যের ব্যয় লঘুচাপের প্রভাবে ঢাকাসহ ৯ জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত আট সেনাসদস্য ঈদুল আজহায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাতদিন ছুটির ঘোষণা

নুহাশের সিনেমার ৫০ লাখ টাকার বরাদ্দ বাতিল

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৯ বার পঠিত
নুহাশের সিনেমা
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

চার বছর আগে পরিচালক নুহাশ হুমায়ূন ঘোষণা করেছিলেন মুভিং বাংলাদেশ সিনেমা নির্মাণের। শুরুতে প্রযোজক সংকটে থাকলেও পরে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক উৎসব থেকে তহবিল পায় সিনেমাটি। শুধু তাই নয়, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ও সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে সর্বশেষ খবর হলো, মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার জন্য বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা বাতিল করেছে মন্ত্রণালয়।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২২ সালে সিনেমাটির চিত্রনাট্য দেখে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন সেই বরাদ্দ আর পাওয়া যাচ্ছে না। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন সংস্থা বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ১৮ নভেম্বর গণমাধ্যমকে জানান, “মন্ত্রণালয়ের ডিপিপিতে মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার জন্য ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু এখন প্রকল্প থেকে এই সিনেমা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা নেই। সিনেমা বানানো তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কাজও না। তাই আপাতত এ বিনিয়োগের পদক্ষেপ থেকে সরে আসা হয়েছে।”

এই সিনেমাটি প্রথম আলোচনায় আসে তাইওয়ানের তাইপে ফিল্ম কমিশনের দেওয়া ৮৯ হাজার ৮০০ ডলারের তহবিলের মাধ্যমে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ টাকার সমান। এছাড়া সিনক্রাফ্ট ফিল্ম ফান্ড থেকে সিনেমাটি পায় ২৫ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি টোকিও গ্রান্ট ফাইনান্সিং মার্কেট, কান উৎসবের মার্শে দ্যু ফিল্ম বাজার, লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসব এবং ভারতের ফিল্ম বাজার থেকেও বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়েছে মুভিং বাংলাদেশ।

সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গুপীবাঘা সূত্রে জানা যায়, দেশীয় বিনিয়োগকারীরাও এতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এ কারণেই প্রকল্পটির সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় যুক্ত হয়েছিল। সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক আরিফুর রহমান জানান, “মুভিং বাংলাদেশ আমাদের দেশের ব্র্যান্ডিং করার মতো একটি সিনেমা। সেই ভাবনা থেকেই তখন মন্ত্রণালয়কে যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলাম।”

পরবর্তীতে আরিফুর রহমান বলেন, “একটি সিনেমা নির্মাণ করতে আমাদের তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময় প্রযোজকের প্রধান কাজ হয় তহবিল সংগ্রহ করা। এত সময় লাগার কারণে অনেক লগ্নিকারী আসে, আবার সরে যায়। আমরাও কখনো কখনো লগ্নিকারীদের টাকা ফেরত দিই। দেরি হওয়ার কারণে অনেকে অপেক্ষা করতে চান না। এখন সিনেমাটি নির্মাণে যে ধরনের তহবিল প্রয়োজন, সেখানে ৫০ লাখ টাকা খুবই নগণ্য। এটি সিনেমা তৈরিতে কোনো বাধা হবে না।”

আরিফুর রহমান আরও বলেন, সিনেমাটি ইতোমধ্যে বড় তহবিল পেয়েছে এবং আরও দেশীয় লগ্নিকারী এতে যুক্ত রয়েছেন। তিনি আরও জানান, “দেশ-বিদেশের প্রযোজকেরা এখনো সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী। কারণ, আমাদের বিশ্বাস, সিনেমাটি দর্শকদের গ্রহণযোগ্যতা পাবে। এই প্রজেক্ট থেকে আমরা নিশ্চিন্তে বিনিয়োগ তুলে আনতে পারব। বরং যারা সরে যাচ্ছে, তারাই লোকসানের মুখ দেখবে। সিনেমাটির প্রকৃত মূল্য বোঝার জন্য এর সঙ্গে জড়িতদের ব্যাকগ্রাউন্ড জানতে হবে। কে সরে গেল তা নিয়ে ভাবার কিছু নেই।”

পরিচালক নুহাশ হুমায়ূন জানান, বিনিয়োগ–সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখছেন প্রযোজকেরা। তিনি কেবল চিত্রনাট্য ও পরিচালনার কাজেই মনোযোগ দিচ্ছেন। নুহাশ বলেন, “গল্প ভালো থাকলে অন্য কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। আমি সব কাজেই গল্প ও চিত্রনাট্যের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। শর্টফিল্ম এবং ওয়েবের কাজ করলেও এবারই প্রথম ফিচার ফিল্ম নির্মাণ করছি। মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার জন্য আমরা ইতোমধ্যে দেশের বাইরে থেকে বেশ ভালো ফান্ড পেয়েছি। কাজও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।”

কবে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে জানতে চাইলে নুহাশ বলেন, “চিত্রনাট্য শতভাগ ঠিক না হলে আমি কোনো কাজ শুরু করি না। সবার আগে আমি নিজেই চিত্রনাট্য নিয়ে সন্তুষ্ট হতে চাই। কাজ শেষ পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য প্রযোজকেরা আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন।”

প্রযোজক আরিফুর রহমান বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক গল্প নয়, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মের কথা বলবে। তিনি আরও জানান, “সিনেমার গল্প সবসময়ই প্রাসঙ্গিক থাকবে। আমরা আশা করছি, আগামী বছর সিনেমাটির শুটিং শুরু করতে পারব।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..