1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে সমবায় ব্যাংকের ৭৩৯৮ ভরি সোনা বিক্রির অভিযোগ - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
পশ্চিমবঙ্গের সব মাদ্রাসায় বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক শৈশব অভিজ্ঞতা তুলে প্রিয়ন্তি উর্বীর আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট জাস্টিস কার্ড দাবিতে কঠোর বার্তা দিলেন হাসনাত পল্লবীর রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত তদন্ত নির্দেশ আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের এক বছর পরও কার্যকর হয়নি রায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, ঘরে ছিল পাঁচ লাখ টাকা তানজিম সারোয়ার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা গরমে জনপ্রিয় আখের রস কতটা নিরাপদ, জানুন বিস্তারিত কুমিল্লায় পথসভায় তারেক রহমান উপস্থিত চাঁদপুরে উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে সমবায় ব্যাংকের ৭৩৯৮ ভরি সোনা বিক্রির অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১২৪ বার পঠিত
সমবায় ব্যাংকের ৭৩৯৮ ভরি সোনা

মহিউদ্দিন আহমেদ সমবায় ব্যাংকের ৭৩৯৮ ভরি সোনা বিক্রির ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রভাব খাটিয়ে থামিয়ে দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় মহিউদ্দিন আহমেদ ছিলেন ১ নম্বর আসামি। তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজের নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

মহিউদ্দিন আহমেদ ব্যাংকটিতে তার ৬৩ জন স্বজন ও আত্মীয়কে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

সমবায় ব্যাংকে সাধারণ গ্রাহকরা সোনা জমা বা বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সোনা ভুয়া মালিক সাজিয়ে বিক্রি করে দেন ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের (দক্ষিণ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

রেকর্ড থেকে জানা যায়, ২০২০ সালে চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় মহিউদ্দিন আহমেদ সমবায় ব্যাংকের ৭ হাজার ৩৯৮ ভরি সোনা বিক্রি করেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ব্যাংকের ২ হাজার ৩১৬ জন গ্রাহক।

এই সোনা বিক্রির ঘটনা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ দ্বারা তদন্ত করা হচ্ছিল, যাদের অধীনে সমবায় ব্যাংক পরিচালিত হয়। ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, মহিউদ্দিন আহমেদ সেই তদন্ত প্রভাবিত করে থামিয়ে দেন। ২০২১ সালে দুদক সোনা বিক্রির ঘটনায় মামলা দায়ের করে, যেখানে মহিউদ্দিন ছিলেন প্রধান আসামি। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেন।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মহিউদ্দিন আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান।

এই সোনা বিক্রির ঘটনা পুনরায় সামনে আসে অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও সমবায় উপদেষ্টা হাসান আরিফের এক বক্তব্যের পর। কুমিল্লার কোটবাড়ীতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সমবায় ব্যাংকের অবস্থা পর্যবেক্ষণে গিয়ে জানতে পারি, ১২ হাজার ভরি (যার মধ্যে ৭ হাজার ৩৯৮ ভরি ছিল দুদকের মামলায়) সোনার খোঁজ নেই। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপদেষ্টার এই মন্তব্যের পর সোনা বন্ধক রাখা গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গত সোমবার ও মঙ্গলবার অনেক গ্রাহক মতিঝিলের সমবায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে জড়ো হন এবং বন্ধক রাখা সোনা দেখানোর দাবি জানান।

সমবায় ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক আহসানুল গনি বলেন, “২০২০ সালে বন্ধককৃত সোনা বিক্রির ঘটনায় অনিয়ম ঘটেছে এবং দুদকের প্রতিবেদনেও তা উল্লেখ করা হয়েছে।”

যেভাবে জালিয়াতি করেন

সমবায় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিলভুক্ত কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়, বরং এটি একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। ব্যাংকটি পরিচালিত হয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনে।

সমবায় ব্যাংকে গ্রাহকরা সোনা বন্ধক রেখে ঋণ নিতে পারেন। বর্তমানে প্রতি ভরি খাঁটি সোনার বিপরীতে (খাদ বাদে) ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যায়। সুদের হার ১৭ শতাংশ এবং এর সঙ্গে ১ শতাংশ বিমার খরচ যোগ হয়। গ্রাহকরা ঋণ পরিশোধের পর সুদ ও আসল টাকার বিনিময়ে সোনা ফেরত নিতে পারেন। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ে ঋণের টাকা শোধ করতে না পারলে, ব্যাংক সেই বন্ধক রাখা সোনা নিলামে বিক্রি করতে পারে।

তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ নিয়মিত প্রক্রিয়ায় সোনা নিলামে না তুলে ভুয়া মালিক সাজিয়ে বিক্রি করে দেন। এই প্রতারণার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়। এ কাজে মহিউদ্দিন আহমেদকে সহায়তা করেছিলেন তার ভাগনে নুর মোহাম্মদ, যিনি সমবায় ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নুর মোহাম্মদ এই মামলায় ৬ নম্বর আসামি। মামলাটি এখনও বিচারাধীন।

মহিউদ্দিন আহমেদ ২০০৯ সালে সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে আসীন হন, তখন তিনি যুবলীগের নেতা ছিলেন। সমবায় সমিতি আইনের নিয়ম অনুযায়ী, চেয়ারম্যান পদে তিনি তিন মেয়াদের বেশি থাকতে পারেন না। এই নিয়মে ২০১৮ সালে তার বিদায় নেওয়ার কথা থাকলেও, তিনি চেয়ারম্যানের কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ২০২২ সালে পদত্যাগ করেন।

দুদকের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে সমবায় ব্যাংকের সদর দপ্তরে সোনা ফেরত পাওয়ার জন্য অনেক গ্রাহক আবেদন করেন। দুদক ৪৫৫টি আবেদন যাচাই-বাছাই করে দেখতে পায়, এর মধ্যে ৩৩৫টি আবেদনে স্বাক্ষর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কোনো মিল নেই। ভুয়া মালিক সাজিয়ে সোনা ফেরত নেওয়া হয়েছে বলে দেখানো হয় এবং সেই সোনা পরে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এই বিক্রি থেকে ব্যাংকের প্রাপ্য টাকা পরিশোধের পর বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।

জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা সমবায় অফিস থেকে ১ হাজার ৫৯৪ ভরির কিছু বেশি সোনা বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট লিমিটেড, যা সমবায় ব্যাংকের সদস্য প্রতিষ্ঠান, সোনা বন্ধক রেখে ঋণ দেওয়ার কাজ পরিচালনা করে। তারা তাদের সোনা পুনরায় সমবায় ব্যাংকে বন্ধক রাখে। দুদকের মামলার এজাহার অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট লিমিটেডের ৫ হাজার ৮০৩ ভরির কিছু বেশি সোনাও একই কৌশলে বিক্রি করে দেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

দুদকের মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে যে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ২ হাজার ৩১৬ জন গ্রাহকের ৭ হাজার ৩৯৮ ভরি সোনার তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল ৪০ কোটিরও বেশি টাকা। এর বিপরীতে ঋণের আসল ও সুদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯ কোটি টাকা। সেই টাকা পরিশোধ দেখিয়ে মোট ১১ কোটি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট লিমিটেডে ২০১১ সালে স্বামীবাগ এলাকার বাসিন্দা কাকলি জাহান আট ভরি সোনা বন্ধক রেখে ৯৩ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। পরে ঋণের সুদ ও আসল বাবদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পর সোনা ফেরত পেতে তিনি সমিতিতে যোগাযোগ করেন। কিন্তু একাধিকবার সমিতিতে যাওয়ার পরও তাঁকে সোনা ফেরত দেওয়া হয়নি। তিনি প্রায় এক বছর ধরে সমিতির বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছেন।

কাকলি জাহানের জমা রাখা সোনার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যদিও তিনি ঋণের সুদ ও আসল বাবদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন, তা সত্ত্বেও সোনা বা অর্থ কোনোটাই ফেরত পাচ্ছেন না।

অভিযোগপত্র থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে

দুদকের মামলার এজাহারে ১ নম্বর আসামি ছিলেন মহিউদ্দিন আহমেদ। সোনা বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় তাকেই প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে অভিযোগপত্র থেকে তার নাম সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে দায়ী হিসেবে আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়, যারা হলেন সমবায় ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক আবদুল আলীম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক হেদায়েত কবীর, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. আশফাকুজ্জামান, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মাহাবুবুল হক, প্রিন্সিপাল অফিসার ওমর ফারুক, সিনিয়র অফিসার নুর মোহাম্মদ, সহকারী অফিসার আবদুর রহিম ও সহকারী অফিসার নাহিদা আক্তার।

সমবায় ব্যাংক ইতোমধ্যে অভিযোগপত্রে নাম থাকা এই আটজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তারা সবাই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

মামলার এজাহারে ১ নম্বর আসামি থাকা সত্ত্বেও মহিউদ্দিন আহমেদের নাম অভিযোগপত্র থেকে কীভাবে বাদ দেওয়া হলো, তা নিয়ে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেনের কাছে প্রশ্ন তোলা হয়। তিনি বলেন, এই বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না।

মহিউদ্দিনের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালে মহিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

নারায়ণগঞ্জে সমবায় ব্যাংকের ১০ তলা একটি বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণে অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৩১ কোটি টাকা, কিন্তু মহিউদ্দিন আহমেদ সেই প্রকল্পে পাঁচ কোটি টাকা বেশি খরচ করেন। এই অতিরিক্ত খরচের জন্য তিনি কোনো ধরনের অনুমোদন নেননি, না মন্ত্রণালয় থেকে, না অন্য কোনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে। ভবনের স্পেস বরাদ্দের ক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে।

সমবায় অধিদপ্তরের একটি তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহিউদ্দিন আহমেদ ওই ভবনের একটি অংশ বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের স্বজনদের কাছে ভাড়া দেন। প্রতি বর্গফুট ভাড়া নেওয়া হয় মাত্র ২১ টাকা, যেখানে স্থানীয় বাজারমূল্য ছিল বর্গফুটপ্রতি অন্তত ১০০ টাকা।

ভবনটির আরেক অংশ ভাড়া দেওয়া হয়েছে অন্য এক প্রতিষ্ঠানের কাছে, যেখানে প্রতি বর্গফুটের ভাড়া মাত্র ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। চার বছর ধরে সেই প্রতিষ্ঠান কোনো ভাড়া পরিশোধ করেনি।

নিয়োগে দুর্নীতি

মহিউদ্দিন আহমেদ ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সমবায় ব্যাংকে বিভিন্ন পদে মোট ১৭৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেন। স্থানীয় সরকার ও সমবায় উপদেষ্টাকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে সমবায় ব্যাংক বলেছে, ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা না করেই এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের, যা মহিউদ্দিন আহমেদের নিজ এলাকা। ৬৩ জন তাঁর নিকট আত্মীয়।

ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মহিউদ্দিন আহমেদের আমলে নিয়োগ পাওয়া বেশিরভাগ কর্মী অদক্ষ, অসৎ এবং শৃঙ্খলাহীন। এদের মধ্যে অন্তত ১৩০ জন কর্মী গৃহনির্মাণ ঋণ নিয়েছেন। অনেককে প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ঋণের বিপরীতে যথাযথ জামানতও রাখা হয়নি। ফলে সমবায় ব্যাংক বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকির সম্মুখীন। ব্যাংকের কর্মীরা ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ পেয়ে থাকেন।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, সমবায় ব্যাংকে দুর্নীতি এবং অনিয়মের ঘটনা এখন আর বিস্ময়কর নয়। এটি আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী শাসনেরই একটি উদাহরণ। বেসিক ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের জালিয়াতির মতো ঘটনা শীর্ষ নেতৃত্বের যোগসাজশেই ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, দুদক ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে অক্ষম। সমবায় ব্যাংকের ঘটনাটি তারই প্রমাণ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..