1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মেট্রোরেলের কার্ডসংকট: সমাধানে আসছে কাগজের টিকিট! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
আজ থেকে শুরু নির্বাচনী প্রচার, দলগুলোর কোথায় কখন কর্মসূচি জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলা: জয় ও পলকের বিচার শুরু হাইকোর্টে খারিজ রিট, কুমিল্লা–৪ আসনে প্রার্থী হতে পারলেন না হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল স্কাইডাইভিংয়ে একসঙ্গে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ তেজতুরী বাজারে মোসাব্বির হত্যা: রহস্য উদঘাটন, চারজন গ্রেপ্তার নির্বাচনে কোনো দলের জন্য বাড়তি সুযোগ নেই: প্রেস সচিব ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬ প্রার্থিতা বাতিল ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় ইসির নতুন পরিপত্র জারি আগামী বাজেট থেকেই অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

মেট্রোরেলের কার্ডসংকট: সমাধানে আসছে কাগজের টিকিট!

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২২১ বার পঠিত
মেট্রোরেলের কার্ডসংকট
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

মেট্রোরেলের ভাড়া পরিশোধের কার্ড সংকট যাত্রীদের জন্য বাড়াচ্ছে দুর্ভোগ

মেট্রোরেলের একক যাত্রার কার্ডের সংকটের কারণে অনেক যাত্রী স্টেশনে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থায়ী কার্ড বা এমআরটি পাসের সরবরাহ না থাকায় সেটিও বিক্রি বন্ধ রয়েছে। কর্তৃপক্ষ একক যাত্রার কার্ডের সরবরাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। তবে স্থায়ী কার্ড কবে পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

ঢাকার মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, তাদের হাতে বর্তমানে একক যাত্রার কার্ড রয়েছে প্রায় ৩০ হাজার। চলতি মাসে আরও ৩০ হাজার কার্ড আসার কথা। জানুয়ারির শেষ নাগাদ প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কার্ড সরবরাহ হতে পারে। তবু এই সংকট পুরোপুরি কাটবে না বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা।

ডিএমটিসিএলের তথ্যমতে, বর্তমানে মেট্রোরেলে দিনে প্রায় সাড়ে তিন লাখ যাত্রী চলাচল করেন। এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ যাত্রী একক যাত্রার কার্ড ব্যবহার করেন। বাকি যাত্রীরা এমআরটি কার্ডে ভাড়া পরিশোধ করেন। একক কার্ডের অভাবে অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই কার্ড না পেয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।

ডিসেম্বরের মধ্যেই সংকট সমাধানের আশ্বাস
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রউফ বলেন, “ডিসেম্বরের মধ্যেই একক যাত্রার যাত্রীদের সমস্যা কেটে যাবে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

গত সপ্তাহে কিছু স্টেশনে আনসার সদস্যরা যাত্রীদের কাছে এমআরটি কার্ড আছে কিনা জিজ্ঞাসা করছিলেন। শেওড়াপাড়া স্টেশনের যাত্রী সাবরিনা আলম বলেন, “গেটে দাঁড়িয়ে আনসার সদস্যরা একক যাত্রার কার্ডধারী যাত্রীদের প্রবেশ করতে নিরুৎসাহিত করছেন। তাঁদের কথা, ‘একক যাত্রার কার্ডের সংকট থাকায় দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হবে।'”

ডিএমটিসিএল জানায়, শুরুতে কার্ড সরবরাহ করছিল জাপানের নিপ্পন সিগন্যাল কোম্পানি। তারা প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার একক যাত্রার কার্ড এবং ৭ লাখ ২৮ হাজার এমআরটি কার্ড সরবরাহ করে। কিন্তু এমআরটি কার্ডের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় তা নতুন করে কেনা হয়নি। এ কারণে এমআরটি কার্ড বিক্রি বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিমাণ কার্ড জরুরি প্রয়োজনের জন্য রাখা হয়েছে।

টিকিট না ফেরত দেওয়ার অভ্যাসও সংকটের কারণ
ডিএমটিসিএল জানায়, যাত্রীরা ভ্রমণ শেষে টিকিট নির্ধারিত স্থানে ফেরত না দেওয়ার কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। অনেকে কার্ড স্যুভেনির হিসেবে রেখে দিচ্ছেন। কেউ কেউ ফিরতি যাত্রার জন্য একাধিক টিকিট কিনছেন। আবার কেউ কার্ড নষ্ট করে ফেলছেন, যেমন হাতলে ঘষা, মোচড়ানো কিংবা কামড় দেওয়া।

বিকল্প হিসেবে কাগজের কার্ড চালু হচ্ছে
এ সংকট কাটাতে ডিএমটিসিএল কাগজের কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। কাগজের কার্ডে কিউআর কোড থাকবে, যা যন্ত্রে স্ক্যান করে যাত্রীরা প্রবেশ ও বের হতে পারবেন। প্রতিটি স্টেশনে আলাদা যন্ত্র স্থাপনের কাজ চলছে। কাগজের কার্ড কেউ নিয়ে গেলেও সমস্যা হবে না, কারণ সেটি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য নয়।

ডিএমটিসিএল আশা করছে, দেড় মাসের মধ্যেই কাগজের কার্ড চালু করা সম্ভব হবে। তবে প্লাস্টিক কার্ডও চালু থাকবে। কারণ, বর্তমান যন্ত্রগুলো প্লাস্টিক কার্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

র‍্যাপিড পাসের ব্যবহার
একক কার্ড ব্যবহারের বদলে র‍্যাপিড পাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি দিয়ে মেট্রোরেলসহ অন্যান্য গণপরিবহনে ভাড়া পরিশোধ করা যাবে। ২০১৫ সালে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এ প্রকল্প শুরু করে। তবে বর্তমানে প্রকল্পের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে না জাপানি সংস্থা জাইকা।

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, স্থায়ী পাস হিসেবে এমআরটি কার্ডের বিক্রি বন্ধ থাকবে। জানুয়ারি থেকে র‍্যাপিড পাস সরবরাহ বাড়ানো হবে। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “একক যাত্রার কার্ডের সংকট সমাধানে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। স্থায়ী পাস হিসেবে র‍্যাপিড পাসই ব্যবহৃত হবে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..