শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়েছে। আগামী বছর থেকে এ কোটায় তারা আর আবেদন বা ভর্তি করতে পারবে না। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা এই কোটার আওতায় ভর্তি হতে পারবে।
গতকাল সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে প্রকাশিত ভর্তি নীতিমালায় এ সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ এবং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের যমজ ও সহোদর ভাই-বোনদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে।
এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান না থাকলে নাতি-নাতনির জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নিয়ম ছিল। তবে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শুধুমাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানের জন্যই ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে। যদি এই কোটায় প্রার্থী পাওয়া না যায়, তাহলে মেধাতালিকা থেকে ভর্তি করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখা-২ এর শিক্ষা কর্মকর্তা জি. এম. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সাধারণত ৬ থেকে ১৩ বছরের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকে ভর্তি হয়। এবার নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা না থাকলেও তাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য কোটা থাকবে। তবে এ বয়সে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানের সংখ্যা কম।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধুমাত্র পুত্র-কন্যার ক্ষেত্রে কোটায় আসন ফাঁকা থাকলে, মেধাতালিকা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে।