1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আজ প্রকাশিত হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষার ফল - Janatar Jagoron

আজ প্রকাশিত হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষার ফল: বাতিল পরীক্ষার নম্বর কীভাবে নির্ধারিত হলো, শিক্ষার্থীরা জানবে কিভাবে?

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১২৬ বার পঠিত
এইচএসসি পরীক্ষার ফল

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সবগুলো অনুষ্ঠিত হয়নি। কিছু বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও বেশ কিছু বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে, যেখানে বিষয়ভিত্তিক মান নির্ধারণ বা বিষয় ম্যাপিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। এভাবে বোর্ডগুলো তাদের ফলাফল তৈরি করেছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সব শিক্ষা বোর্ড একযোগে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ করবে। তবে এবার ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা নতুনভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

প্রথা ভেঙে নতুন আঙ্গিকে ফল প্রকাশ

পূর্বের রীতি অনুযায়ী, সব বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ গণভবনে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে দিতেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফলাফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতেন এবং শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অথবা সচিবালয়ে গিয়ে বিস্তারিত ফলাফল গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করতেন। এ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল।

কিন্তু এবার সেই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই শিক্ষা বোর্ডগুলো তাদের নিজ নিজ ফলাফল ঘোষণা করবে। এতে সরকারপ্রধান বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিনিধিও উপস্থিত থাকবেন না। প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজ দায়িত্বে তাদের বোর্ডের ফলাফল প্রকাশ করবেন।

শিক্ষার্থীরা কীভাবে পাবে ফলাফল

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে ফলাফল সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের Result sheet ডাউনলোড করতে পারবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd, www.educationboardresults.gov.bd এবং www.eduboardresults.gov.bd থেকে Result কর্নারে ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক Result sheet ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করেও তাদের নিজস্ব ফলাফল দেখতে পারবে।

ফল প্রকাশের পর খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করা যাবে। এজন্য মোবাইল থেকে HSC Board নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও সাল টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠালে ফলাফল পাওয়া যাবে। যেমন: HSC Dha 123456 2024 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

বিষয় ম্যাপিংয়ের পদ্ধতি

শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, বাতিল হওয়া এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষাগুলোর ফল প্রকাশ করা হবে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। বিষয় ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এটি করা হবে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে যেসব বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে ফলাফল তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, যেসব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি, সেগুলোর নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে। বিষয় ম্যাপিংয়ের জন্য নির্ধারিত একটি নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে। এতে এসএসসিতে কোনো শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে যে নম্বর পেয়েছে, সেই বিষয়টি এইচএসসিতে থাকলে একই নম্বর বিবেচনা করা হয়েছে। আর বিষয়ভেদে নম্বরের ভিন্নতা থাকলে বিষয় ম্যাপিংয়ের নীতিমালা অনুসারে নম্বর বিবেচনা করা হয়েছে।

গত আগস্টে সচিবালয়ে প্রবেশ করে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও ঘেরাও করে, যার ফলে এবারের এইচএসসি বা সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।

এ বছরের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ৩০ জুন থেকে। মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ। সাতটি পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। এর ফলে পরীক্ষা কয়েকবার স্থগিত করা হয়। তখনও পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। পাশাপাশি ব্যবহারিক পরীক্ষাও নেওয়া হয়নি। এক পর্যায়ে এই আন্দোলন সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট ছাত্র ও জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা থেকে অপসারিত হয়। পরবর্তীতে ১১ আগস্ট থেকে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে তা বাস্তবায়ন হয়নি। কারণ, ওই সময় আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির দিনে দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা হলে সেখানে রাখা প্রশ্নপত্রের ট্রাংক নষ্ট হয়। এতে পরীক্ষার সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে স্থগিত পরীক্ষা ১১ সেপ্টেম্বর থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও, পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের চাপে তা বাতিল করা হয়। পরীক্ষার্থীদের দাবি ছিল, অনির্দিষ্টকালের পরীক্ষার স্থগিতাদেশ তাদের মানসিক চাপে ফেলেছে। ফলে, স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..