1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আপনার শিশুর মোবাইলে আইটেম সং? জানুন, অপূরণীয় ক্ষতির ঝুঁকি! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
আজ থেকে শুরু নির্বাচনী প্রচার, দলগুলোর কোথায় কখন কর্মসূচি জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলা: জয় ও পলকের বিচার শুরু হাইকোর্টে খারিজ রিট, কুমিল্লা–৪ আসনে প্রার্থী হতে পারলেন না হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল স্কাইডাইভিংয়ে একসঙ্গে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ তেজতুরী বাজারে মোসাব্বির হত্যা: রহস্য উদঘাটন, চারজন গ্রেপ্তার নির্বাচনে কোনো দলের জন্য বাড়তি সুযোগ নেই: প্রেস সচিব ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬ প্রার্থিতা বাতিল ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় ইসির নতুন পরিপত্র জারি আগামী বাজেট থেকেই অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

আপনার শিশুর মোবাইলে আইটেম সং? জানুন, অপূরণীয় ক্ষতির ঝুঁকি!

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১১৯ বার পঠিত
আপনার শিশুর মোবাইলে আইটেম সং
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

সিনেমার প্রভাব আজকের সমাজে বিশেষ করে তরুণ-তরুণী ও শিশুদের উপর গভীরভাবে বিস্তার লাভ করেছে। মোবাইল ফোনের আগমন এই প্রভাবকে আরও বেশি বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে, অনেক সময় অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা সিনেমার প্রভাবে খারাপ পথে চলে যায়। এমনকি ছোট শিশুরাও সিনেমার অশ্লীল দৃশ্য, আইটেম গান, যৌন দৃশ্যের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। তারা এসবের কোনো ধারণা না থাকলেও, তা নকল করতে শুরু করে, যা নিয়ে মনোবিদরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাই শিশুদের সঠিক লালন-পালন এবং upbringing-এর ব্যাপারে বাবা-মায়েদের সজাগ থাকতে হবে।

আইটেম গানের প্রভাব শিশুদের উপর কেমন?

আজকাল ছোটরা অনেক সময় বড়দের মতো কাজ করতে ভালোবাসে, বিশেষ করে সিনেমার গান গাওয়া ও নাচ, যা দেখে বাবা-মায়েরা আনন্দিত হন। এমনকি তারা মনে করেন যে, এটি তাদের সন্তানদের জন্য উপকারী। কিন্তু মনোবিদরা বলেছেন যে, এটি সঠিক নয়।

সিনেমার আইটেম গান, অশ্লীল অ্যালবাম গান শিশুদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, এবং শিশু মনোবিদরা এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। বাড়িতে বা পার্টিতে যে গান বাজানো হয়, তা শিশুদের আকর্ষণ করে এবং তারা সেই গানগুলি নকল করতে শুরু করে। গানের অর্থ না বুঝলেও, তারা অশ্লীল শব্দ মনে রাখে এবং এমনকি অশ্লীল ভঙ্গিতেও নাচ করতে পারে।

‘একবার আমি একটি ডান্স রিয়েলিটি শো-এর অডিশনে গিয়েছিলাম। সেখানে সাত বছরের একটি মেয়ের অদ্ভুত আচরণ দেখেছি। সে দুটি কাগজের বল বানিয়ে তার পোশাকের ভেতর রেখেছিল। এত ছোট বয়সে এমন আচরণ দেখে আমি অবাক হয়েছিলাম’ – বলেছিলেন মুম্বাইয়ের এক শিশু মনোবিদ এবং প্যারেন্টিং কাউন্সিলর।

শিশুদের বাবা-মায়েদের সতর্ক হতে হবে

কিছু সিনেমার গান শুনতে খুব মজার হলেও, তাদের কথাগুলি অনেক সময় খারাপ। অতিরিক্ত হিংসা, মাদক, যৌনতা, এবং অশ্লীল দৃশ্য শিশুরা হয়তো পুরোপুরি বুঝতে পারে না, তবে এসব বিষয়ে তাদের আগ্রহ থাকে। গানের কথার অর্থ বা দৃশ্যের পেছনে কী বার্তা রয়েছে, তা তারা বাবা-মায়ের কাছে জানতে চায়।

এমন প্রশ্নে বাবা-মা অনেক সময় অসস্থিতে পড়ে সঠিক উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান, যা শিশুদের জানার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দেয়। তারা বন্ধুদের অথবা পরিচিতদের কাছে এসব বিষয় জানতে চায়, যার ফলে বিকৃত ধারণা তৈরি হতে পারে।

আজকের প্রতিযোগিতার যুগে শিশুরা যেন সমাজে পিছিয়ে না পড়ে, তাই বাবা-মায়েরা চান তারা সিনেমার আইটেম গানে নাচ করুক। কিন্তু এতে শিশুর মানসিকতা পরিবর্তিত হতে পারে। যদি তাদের এই অভ্যাস নষ্ট না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে তারা ভুল পথে চলতে পারে। এই কারণে, শিশু মনোবিদরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, ছোটবেলায় এমন আচরণে বাধা দেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কোনো দুঃখের কারণ না হয়।

শিশুদের লালন-পালনকে সহজ মনে করবেন না

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, বাবা-মায়েদের উচিত শিশুদের বেড়ে ওঠার সময়টাকে সহজভাবে না নেওয়া। এটি হলো সেই সময়, যখন শিশুর সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনা বিকশিত হয়। তাই তাদের সঠিক পথনির্দেশনা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাবা-মায়েরই বলতে হবে, কোন পথে চললে ভালো হবে।

আজকের ডিজিটাল যুগে, বাবা-মায়েদের জন্য শিশুদের প্রতি নজরদারি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারা মোবাইল, টিভি বা অন্য কোনো মাধ্যমে কী দেখছে, সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি শিশুরা খারাপ কন্টেন্টে আগ্রহী হয়, তবে তাদের সঠিক দিশা দেখানো প্রয়োজন। তারা যেন বুঝে যে, কোনটা ভালো এবং কোনটা খারাপ, তা বাবা-মায়েরই তাদের শেখাতে হবে। এতে শিশুরা খারাপ কন্টেন্টের প্রতি আকৃষ্ট হবে না।

শিশুদের মোবাইল আসক্তি থেকেও মুক্ত রাখতে হবে, এবং এ বিষয়ে বাবা-মায়েদের যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময় বাবা-মায়েরা সন্তানদের বিরক্ত না করার জন্য তাদের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দেন, কিন্তু এতে ভবিষ্যতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই বাবা-মায়েদের উচিত, তাদের সাথে সময় কাটানো, খেলাধুলা এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া, যাতে শিশুরা মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্ত না হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..