সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
দুধের সর্বোচ্চ পুষ্টি উপাদানের কারণে এটিকে শ্রেষ্ঠ খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শিশুরা থেকে শুরু করে বয়স্ক সব মানুষের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করতে প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। অ্যাসিডিটির সমস্যা, পিরিয়ডের সময় তীব্র যন্ত্রণা এবং কাজের চাপের কারণে অস্থিরতা – এসব সমস্যার সমাধান এক গ্লাস দুধ। তবে সঠিক সময় ও পদ্ধতি মেনে দুধ পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুধ পানের সঠিক সময়—
১. দুধ পানের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বিকেল। ভালো হজমের জন্য লাঞ্চের দুই ঘণ্টা পরে দুধ পান করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। দুধ যেহেতু ভারী খাবার, তাই রাতে এটি না খাওয়াই শ্রেয়। রাতে দুধ পান করলে হজমের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না, ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২. ভারী খাবার খাওয়ার পর কখনোই দুধ পান করবেন না। কারণ দুধ হজম করতে সময় লাগে, তাই খাবারের পর দুধ পান করলে হজমের প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে অ্যাসিডিটি সহ নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
৩. খালি পেটে দুধ পান করা এড়িয়ে চলুন। যদি আপনি বদহজম বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে অবশ্যই এটি মেনে চলুন।
৪. অনেকের অভ্যাস চা বা দুধ দিয়ে ওষুধ খাওয়ার। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধ দিয়ে অ্যালোপ্যাথি ওষুধ গ্রহণ একেবারেই উচিত নয়। তবে ডাক্তারি পরামর্শে আয়ুর্বেদিক ওষুধ দুধের সাথে খাওয়া যেতে পারে।
৫. বাসি দুধ পান করা এড়িয়ে চলুন। কারণ, বাসি দুধের তুলনায় টাটকা দুধের গুণগত মান অনেক বেশি। বাসি দুধ শরীরে নানাবিধ সমস্যা তৈরি করে। তাই সর্বদা টাটকা এবং ভালো করে ফুটিয়ে দুধ পান করুন।
৬. দুধ পান করার আগে বা পরে টকজাতীয় ফল বা আচার কিছু খাবেন না। এছাড়াও নোনতা জাতীয় খাবার, ফাস্ট ফুড, চিপস ইত্যাদি খেতে হলে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে খাবেন। অন্যথায়, কেমিক্যাল রি-একশনের ফলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।