1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা নাকি সিভিল সার্ভিস - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল স্কাইডাইভিংয়ে একসঙ্গে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ তেজতুরী বাজারে মোসাব্বির হত্যা: রহস্য উদঘাটন, চারজন গ্রেপ্তার নির্বাচনে কোনো দলের জন্য বাড়তি সুযোগ নেই: প্রেস সচিব ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬ প্রার্থিতা বাতিল ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় ইসির নতুন পরিপত্র জারি আগামী বাজেট থেকেই অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত বাংলাদেশ, বাড়ল ভ্রমণ জটিলতা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সারজিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুদক রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শরিফ হাদি হত্যা, চার্জশিট দিল ডিবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা নাকি সিভিল সার্ভিস: কোনটা হবে আপনার পছন্দ?

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১২৮ বার পঠিত
সিভিল সার্ভিস

৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে প্রথম আলোয় নিয়মিত প্রকাশ করা হচ্ছে তাঁদের অভিজ্ঞতা, যাঁরা আগে সফলভাবে মৌখিক পরীক্ষা দিয়েছেন। আজকের ১৩তম পর্বে থাকছে ৪৩তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত আবু তালেব সুরাগের অভিজ্ঞতা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করা আবু তালেব পরপর তিনটি সরকারি চাকরিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ রাবার বোর্ডে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। ৪৩তম বিসিএস ছিল তাঁর প্রথম বিসিএস এবং তিনি শেষ দিকে ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর প্রথম পছন্দ ছিল পররাষ্ট্র ক্যাডার, এরপর প্রশাসন ক্যাডার এবং তৃতীয় পছন্দ ছিল সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার। তাঁর ভাইভা পরীক্ষা প্রায় ২৫ মিনিট ধরে চলে, যেখানে তাঁকে ২৩টি প্রশ্ন করা হয় এবং ১৭টির মতো তিনি সন্তোষজনকভাবে উত্তর দিতে পেরেছিলেন।

যেহেতু তাঁর প্রথম পছন্দ ছিল পররাষ্ট্র ক্যাডার, তাই প্রায় সব প্রশ্নই ইংরেজিতে করা হয়, এবং তিনি উত্তরও দেন ইংরেজিতে। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় কোয়ালিটি হেলথ ও ফুড সিকিউরিটির মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে। তিনি জানান, কোয়ালিটি হেলথ বলতে গুণগত মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা বোঝায়, আর ফুড সিকিউরিটি হলো সবার জন্য খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, আর ফুড সেফটি হলো খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যেন খাদ্যটি জীবাণুমুক্ত থাকে।

তাঁকে আরও জিজ্ঞেস করা হয়, দেশে বনায়নের শতকরা কত ভাগ থাকা প্রয়োজন এবং আমাদের দেশে কতটা আছে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘শতকরা ২৫ ভাগ বন থাকা প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের দেশে প্রায় ১৭ ভাগ বন রয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও প্রকট হচ্ছে।’

শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ করা হলে তিনি কী উদ্যোগ নেবেন, যা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজের উচ্চশিক্ষার মানের বৈষম্য কমাবে? উত্তরে আবু তালেব বলেন, তিনি কোয়ালিটির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং বলেন, স্নাতক পর্যায়ের কলেজগুলোকে মানসম্মত শিক্ষার কেন্দ্রে পরিণত করা উচিত, আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পিএইচডি ও উচ্চতর গবেষণার জন্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।

ইথিকাল হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এটি একটি ইতিবাচক হ্যাকিং পদ্ধতি, যা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন কোনো কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ পাসওয়ার্ড বা ইমেইল হারিয়ে গেলে ইথিকাল হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে তা উদ্ধার করা যায়।

শিক্ষা ক্যাডার পছন্দের তালিকায় এত আগে রাখার কারণ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাঁর একাডেমিক রেকর্ড এবং শিক্ষকতার প্রতি গভীর আকর্ষণই এর মূল কারণ। এছাড়াও, তাঁর দুটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যা তাঁকে শিক্ষা ক্যাডারের প্রতি আরও অনুপ্রাণিত করেছে।

‘আপনি তো বর্তমানে সরকারি প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা, তাহলে বিসিএস কেন?’ উত্তরে তিনি বলেন, বিসিএসের মাধ্যমে সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং বড় পরিসরে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাওয়া যায়, যা তাঁকে বিসিএসের দিকে আকৃষ্ট করেছে।

শেষে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা এবং সিভিল সার্ভিস—এই দুটি চাকরির মধ্যে কোনটি বেছে নেবেন? উত্তরে তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেক জটিল ও অনিশ্চিত, আর সিভিল সার্ভিসে মেধার গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই পরিশ্রম করলে সিভিল সার্ভিসে যোগ্যরাই সুযোগ পান।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..