রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক ,
পবিত্র কোরআনে একাধিক আয়াতে রাব্বুল আলামিন শাম অঞ্চলকে পবিত্র ও বরকতময় ভূখণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মুফাসসিরদের ভাষায়, শাম মূলত ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও আশপাশের অঞ্চলকে বোঝায়। এই অঞ্চলে ইবরাহিম (আ.), ইসহাক (আ.), ইয়াকুব (আ.), মুসা (আ.), দাউদ (আ.), সুলাইমান (আ.), ঈসা (আ.)সহ অসংখ্য নবী-রাসুল বসবাস করতেন। ফলে একে পৃথিবীর সভ্যতার কেন্দ্রও বলা যায়।
যদিও কোরআনে সরাসরি ‘শাম’ শব্দটি উল্লেখ নেই, মুফাসসিরদের মতে, পাঁচটি আয়াতে এই অঞ্চলের মর্যাদা ও কল্যাণময়তা বর্ণিত হয়েছে।
১. বনি ইসরাইল : ১ – রাত্রিকালীন যাত্রায় মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত যাত্রার সময় চারপাশকে কল্যাণময় করা হয়েছে।
২. সুরা আরাফ : ১৩৭ – দুর্বল জাতিকে শামের পূর্ব ও পশ্চিমের উত্তরাধিকারী বানানো হয়েছে।
৩. সুরা আম্বিয়া : ৭০-৭১ – ইবরাহিম (আ.) ও লুত (আ.)কে উদ্ধার করে শামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
৪. সুরা আম্বিয়া : ৮১ – সুলাইমান (আ.)এর জন্য বায়ু শামের দিকে প্রবাহিত হয়েছিল।
৫. সুরা সাবা : ১৮ – কওমে সাবা ও অন্যান্য জনপদে অনুগ্রহ বর্ষণ ও ভ্রমণ নিরাপদ রাখা হয়েছে।
এই আয়াতগুলোতে শামের পবিত্রতা, কল্যাণ ও প্রাচীন সভ্যতার গুরুত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।