1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
বাংলাদেশের সাথে চীনের সম্পর্ক নতুন দিগন্তে - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের সাথে চীনের সম্পর্ক নতুন দিগন্তে

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫
  • ২৫১ বার পঠিত
চীনের সম্পর্ক

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন যুগে, ঐতিহাসিক বৈঠক থেকে এসেছে বড় সিদ্ধান্ত!

বাংলাদেশ এবং চীন তাদের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে আরও গভীর সহযোগিতার দিগন্ত খুলে দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় নেতা একে অপরের দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। শি জিনপিং বাংলাদেশকে চীনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কারের প্রশংসা করেন। তাকে স্বাগত জানাতে নিজ কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে বিরল সম্মান প্রদর্শন করেন। পরে উষ্ণতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এটি ছিল প্রধান উপদেষ্টার প্রথম দ্বিপাক্ষিক বিদেশ সফর। শি জিনপিং বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শূন্য শুল্ক সুবিধা ২০২৮ সালের শেষ পর্যন্ত বজায় রাখার ঘোষণা দেন, যা বাংলাদেশের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের পরও দুই বছর বাড়ানো হলো।

তিনি বাংলাদেশ-চীন মুক্তবাণিজ্য চুক্তি এবং বিনিয়োগ চুক্তির জন্য আলোচনার প্রস্তাবও দেন, যা চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে।

ড. ইউনূসের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে, চীনা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের উন্নতির জন্য চীনা বিনিয়োগকারীদের সরাসরি বিনিয়োগ ও উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের প্রতি উৎসাহ প্রদান করবেন বলে জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তায় চীনা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

এছাড়াও, বাংলাদেশে চীন সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন এবং চীনা প্রকল্প ঋণের সুদের হার কমানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টা চীনের কাছে অনুরোধ জানান।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..