বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক ,
চলতি বছরের জুন মাসে লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘ সময়ের আলোচনায় নানা জাতীয় ইস্যুতে মতবিনিময় হলেও, বৈঠকের বিস্তারিত এতদিন অজানাই ছিল। অবশেষে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) প্রচারিত সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্বে বিবিসির এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, “ড. ইউনূস একজন বিশ্বখ্যাত, জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি। তার সঙ্গে সৌজন্যমূলক আলাপ হয়েছে। তিনি আমাকে জানতে চেয়েছিলেন—জনগণ যদি আমাদের সুযোগ দেয়, তাহলে আমরা দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কী কী উদ্যোগ নেব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি দেশের মানুষ, রাষ্ট্র ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়ে আমাদের ভাবনা ও পরিকল্পনার কথা বলেছি। আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই, কেমন সমাজ দেখতে চাই—এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে।”
এ সময় বিবিসি জানতে চায়, আওয়ামী লীগের পতনের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বিএনপির অবস্থান কী। প্রশ্ন ছিল, শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর দুদেশের সম্পর্কে যে শীতলতা এসেছে, তা কি বিএনপি সরকারে এলে পরিবর্তন হবে?
তার জবাবে তারেক রহমান বলেন, “যদি তারা একজন স্বৈরাচারকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মনোভাবের বিরুদ্ধে যায়, তাহলে আমাদের করার কিছু নেই। বাংলাদেশের মানুষই ইতোমধ্যে সম্পর্কের দিক নির্ধারণ করেছে। আমি আমার দেশের মানুষের পক্ষেই থাকব, তাদের মনোভাবই হবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আমরা চাই পারস্পরিক সম্মান ও জনগণের প্রত্যাশার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠুক। কিন্তু কেউ যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখা সম্ভব নয়।”
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও কথা বলেন বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান, সংস্কার প্রক্রিয়া ও অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়েও।