1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
হামলা করতে গিয়ে তেহরানের প্রেমে পড়েছেন ইসরায়েলের পাইলট - Janatar Jagoron

হামলা করতে গিয়ে তেহরানের প্রেমে পড়েছেন ইসরায়েলের পাইলট

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫
  • ১৯৯ বার পঠিত
ইসরায়েলের পাইলট

বোমারু পাইলটের চোখে তেহরান, স্বপ্ন এখন শান্তির!
অনলাইন ডেস্ক

ইরানে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর অংশ হিসেবে অংশ নেওয়া এক ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর রিজার্ভ পাইলট জানিয়েছেন, ‘তেহরান দারুণ এক শহর, সুযোগ পেলে একদিন ঘুরতে চাই।’

প্রতিঘাত শেষে ঘাঁটিতে ফিরে নিজের অভিজ্ঞতা গণমাধ্যমের সঙ্গে ভাগ করে নেন ওই পাইলট। নিরাপত্তাজনিত কারণে তার পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

১৩-২৪ জুন পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামোর ওপর তীব্র হামলা চালায় ইসরায়েল। পাইলটের ভাষায়, বহু বছর ধরে এ ধরনের অভিযানের মহড়া চলছিল। মনে প্রাণে আশা ছিল, হয়তো কখনো এই অভিযান চালাতেই হবে না।

তিনি জানান, অভিযান শুরুর আগের রাতেই তিনি ছিলেন একটি রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে, যেখানে পরিবার, সহকর্মী ও অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। সেই সময়েই আসে বার্তা– ‘আগামীকাল ভোরে স্কোয়াড্রনে রিপোর্ট করুন, ইরানে প্রতিরোধমূলক হামলা শুরু।’ সেই মুহূর্তের অনুভূতি স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সবার সামনে স্বাভাবিক থাকার ভান করতে হয়েছিল, সামান্য কিছু ফাঁস হলেই মিশন ভেস্তে যেতে পারত।’

ভোরে সন্তানদের চুমু দিয়ে বিদায় নেওয়ার সময় স্ত্রী বলেছিলেন, ‘যা করতে হবে করো, আমরা আছি তোমার পাশে।’ পাইলটের ভাষায়, সেই আলিঙ্গন ছিল একধরনের অক্সিজেনের মতো।

তিনি বলেন, ‘তেহরানকে এত কাছ থেকে আগে কোনোদিন দেখিনি। আকাশ থেকে শহরটিকে মনে হচ্ছিল অদ্ভুত শান্ত ও সুন্দর। নীচে মানুষ হয়তো আতঙ্কে কাঁপছিল, কিন্তু ওপর থেকে মনে হচ্ছিল এক নিস্তব্ধ দুপুর। ইরানের পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে যে দৃশ্য, তা নিঃশ্বাস আটকে দেওয়ার মতো।’

অভিযান চলাকালে তাদের দীর্ঘ সময় আকাশে থাকতে হয়েছে, মাঝপথে জ্বালানি ভরার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজও সম্পন্ন করতে হয়েছে। পুরো সময়জুড়ে রেডিও নীরবতা বজায় রাখতে হয়েছে যাতে কোনো তথ্য ফাঁস না হয়।

পাইলট বলেন, ‘আমরা জানতাম, শত্রু কেবল বিপজ্জনক নয়, ভীষণ চতুরও। তাই একটিমাত্র ভুলও যেন মারাত্মক না হয়, সে জন্যই প্রতিটি পদক্ষেপ ভেবেচিন্তে নেওয়া হয়েছিল।’

ইরান থেকে ফিরে এসে মাটিতে পা রাখার পরই তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রযুক্তি, দক্ষতা আর সাহস এই মিশনে প্রমাণিত হয়েছে। ঐক্য আর শিক্ষা ধরে রাখতে পারলে আরও অনেক কিছুই সম্ভব।

শেষে তিনি শান্তির বার্তাও শোনান। বলেন, আমরা ইরানের জনগণের সঙ্গে যুদ্ধ করি না, হামলা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে, যারা আমাদের নিশ্চিহ্ন করতে চায়। একদিন শান্তি আসবে, আর আমরা একসঙ্গে উন্নতি করব।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..