1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোঁয়াচে চর্মরোগ স্ক্যাবিসে শতাধিক শিক্ষার্থী আক্রান্ত - Janatar Jagoron
শিরোনাম
মাহিদুল ইসলাম গফুর: তৃণমূলের আস্থা থেকে নগর নেতৃত্বের নবদিগন্ত সরকারি অনুদানে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, চিত্রনাট্য জমা দিতে আহ্বান নির্মাতাদের বজ্রপাতের ঝুঁকিপূর্ণ সময় কখন, নিরাপদ থাকতে জরুরি করণীয় জানুন রূপপুরে প্রথম ফুয়েল লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে বড় অগ্রগতি ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত বহু দেশের সব রুটে বাস ভাড়া বাড়ল, আজ থেকে নতুন মূল্য কার্যকর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, হাতে বিষের বোতল তাপপ্রবাহে পুড়ছে ২১ জেলা, স্বস্তির আভাস নেই শিগগিরই এক সপ্তাহে লোডশেডিং কমানোর ঘোষণা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর পুলিশ সুপার চার কর্মকর্তার বদলি ও নতুন পদায়নের নির্দেশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোঁয়াচে চর্মরোগ স্ক্যাবিসে শতাধিক শিক্ষার্থী আক্রান্ত

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৫৮ বার পঠিত
শিক্ষার্থী আক্রান্ত

গোলাম কিবরিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি রাজশাহী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক রহস্যময় চর্মরোগ স্ক্যাবিস ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক হারে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন আবাসিক হল ও মেসের শিক্ষার্থীরা। রোগটি ছোঁয়াচে এবং দ্রুত এক শরীর থেকে আরেক শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে।

রোববার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাশিহুল আলম হোসাইন জানান, “শত শত চর্মরোগের মধ্যে স্ক্যাবিস সবচেয়ে ছোঁয়াচে। বৃহস্পতিবার চেম্বারে রোগী দেখছিলাম, একের পর এক স্ক্যাবিস আক্রান্ত! বিশেষ করে হল ও মেসে থাকা শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আঙ্গুলের ফাঁকে, কব্জির কাছে, বগলে ও নাভিতে ছোট ফুসকুড়ি দেখা দেয়। রাত হলেই চুলকানি মারাত্মক আকার নেয়। ঘনিষ্ঠভাবে একসাথে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।”

চেম্বারের বাইরে অপেক্ষমানদের সাবধান করে তিনি বলেন, “দয়া করে দূরত্ব বজায় রেখে বসুন। রোগটি পাশের জনের মধ্যেও সহজে ছড়াতে পারে।”

চমকে দেওয়ার মতো তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, “মেডিকেল সেন্টারে এই রোগের ওষুধই ছিল না! তাই প্রধান চিকিৎসক ডা. মাফরুহা সিদ্দিকা লীপিকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানাই।”

প্রশংসা করে তিনি বলেন, “শুক্র ও শনি ছুটির দিনেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ওষুধ কিনে তা ফার্মাসিস্ট মোস্তাকের হাতে তুলে দেন। এখন থেকে রাবি চিকিৎসাকেন্দ্রেই স্ক্যাবিস চিকিৎসার সব ওষুধ পাওয়া যাবে। এজন্য প্রধান চিকিৎসককে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারছি না।”

এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, স্ক্যাবিস মোকাবিলায় এখনই সচেতন না হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..