শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
ট্রাম্পকে ফাঁসাতে রাষ্ট্রদ্রোহী নাটক? ওবামাদের ঘিরে বিতর্ক!
অনলাইন ডেস্ক
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে প্রকাশ্য বিচার দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান ও রাজনীতিক তুলসী গ্যাবার্ড। এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ওবামা প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলে ট্রাম্পের বিজয়কে রাশিয়ার ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে প্রচার করতে গিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহে লিপ্ত হয়েছে। খবর গণমাধ্যমের।
তুলসী গ্যাবার্ড জানান, এই ষড়যন্ত্রে সরাসরি জড়িত ছিলেন ওবামার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করা এবং জনগণের রায়কে অকার্যকর ঘোষণা করা। তার ভাষায়, “ওবামা ও তার প্রশাসন হিলারি ক্লিনটনের পরাজয়ের পর থেকে পরিকল্পিতভাবে এক গভীর ষড়যন্ত্রের ছক তৈরি করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের যে অভিযোগ উঠেছিল, তার ভিত্তিতে গোয়েন্দা রিপোর্ট জালিয়াতি করা হয় এবং মিডিয়ার মাধ্যমে এই প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়। গ্যাবার্ডের দাবি, এসব নথি ইতোমধ্যে সামনে এসেছে, যেগুলো পরিষ্কারভাবে প্রমাণ করে— এটি ছিল একটি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের ষড়যন্ত্র।
“এটি কোনো ছোটখাটো ভুল নয়,” বলেন তিনি, “এই ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তারা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিচার হওয়া উচিত।”
তিনি এও জানান, ইতোমধ্যে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে পাঠানো হয়েছে এবং বিস্তারিত নথি সরবরাহ করা হয়েছে। গ্যাবার্ড বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে কেউ যাতে না করে, সেজন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া জরুরি।
তুলসী গ্যাবার্ড আরও অভিযোগ করেন, ওবামা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মার্কিন গণমাধ্যমকে ভুল তথ্য সরবরাহ করেছিলেন, যেখানে বলা হয়েছিল, রাশিয়া হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, “এই নাটক সাজানো হয়েছিল ট্রাম্পকে হেয় করতে এবং পুরো প্রশাসনকে অবৈধ প্রমাণ করার জন্য।”