1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
উল বোনা হাত, স্মৃতির মতো নরম ভালোবাসা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর ঘোষণা; আজ থেকে শুরু এআই চ্যাটবটে কখনোই যেসব সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না ঝিনাইদহ মহেশপুরে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

উল বোনা হাত, স্মৃতির মতো নরম ভালোবাসা

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত
উল বোনা হাত

নরম উলের ছোঁয়ায় মাখানো ভালোবাসা, স্মৃতি আর শীতের উষ্ণতা—
অনলাইন ডেস্ক

বৃষ্টির জমাট শীতে যখন কাঁপুনি ধরে, হাতে তৈরি উলের পোশাকের কোমল স্পর্শ যেন মন ছুঁয়ে যায়। আজকাল সময়ের অভাবে বাড়িতে হাতের কাজ কম হলেও উলের পোশাকের নস্টালজিয়া এখনও হৃদয়ে বেঁচে আছে। শৈশবের সেই দিনগুলো মনে পড়ে, যখন স্কুলের সেলাই পরীক্ষায় উলের মোজা বুনতে গিয়ে ভুল হয়, কিন্তু মায়ের হাতে বোনা সোয়েটার আর টুপির মায়া মনে গেঁথে থাকে চিরকাল।

আমাদের মায়ের, খালাদের, চাচিদের হাত যেন এক স্বপ্নের যাদুকরী হাতি, যাঁরা কথা বলতে বলতে, বাসে-ট্রেনে, এমনকি হুমায়ূন আহমেদের নাটক দেখতে দেখতে বুনতেন বাবার জন্য সোয়েটার, ভাইয়ের জন্য রঙিন মাফলার আর নবজাতকের জন্য ছোট ছোট টুপি। তাঁদের হাতে কাজ ছিলো যেন এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রণা, যেন হাত দুটোয় প্রোগ্রাম করা হয়, আর উল যেন জীবন্ত হয়ে উঠে তাঁদের স্পর্শে।

স্মৃতি ফেরা যায় স্কুল জীবনের সেই দিনগুলোতে, যখন ক্লাসে বসে ছাত্রীদের হাত দুটো বুননের কাজ করতো, আর অভিভাবকরা গেটের বাইরে গল্প করতে করতে বুনতেন উলের গলা। আজ সেই দৃশ্য হারিয়ে গেছে, হাতের কাজ কমেছে ব্যাপকভাবে। তবে বাজারে উলের পোশাকের চাহিদা কমেনি, বরং ডিজাইন আর বৈচিত্র্যে বেড়েছে বহুগুণে।

আমাদের সময় এখন ব্যস্ত, গাড়ির ধাক্কা, মানসিক চাপ আর দ্রুততার জন্য বাড়িতে হাতে তৈরি কিছু করার সময় কম। সুস্থ্য ও সস্তায় বাজারজাত উলের পোশাক সহজলভ্য। কেউ এখন আর এক সোয়েটারের জন্য মাস খানেক অপেক্ষা করেন না। তবুও, নরম, তুলতুলে রঙিন উলের গোল্লা গুলো আজও স্মৃতির নরম ছোঁয়া এনে দেয়।

জাপানের এক মায়ের গল্প মনে পড়ে, যিনি যুদ্ধের সন্তান অপেক্ষায় বসে উলের দস্তানা বোনেন, চোখ থেকে ঝরানো ফোঁটা জল দিয়ে তার মমতা উল ঝরায়। আমাদের দেশের মায়ের হাতে বোনা উলের শীতের পোশাকের সেই মায়া আর জাপানি মায়ের ভালোবাসার মিল যেন একাকার।

চিরসবুজ অভিনেত্রী দিলারা জামানও সেই স্মৃতিতে হারিয়ে যান, নিজের মায়ের হাতে বোনা উলের শীতের কাপড়ের কথা মনে পড়িয়ে। উল বোনার ঐ নস্টালজিয়া, মায়া আর ভালোবাসা আজও হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..