বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
বিশ্বজুড়ে এক বিলিয়নেরও বেশি মুসলমান অধীর প্রতীক্ষায় রয়েছেন পবিত্র রমজান ২০২৬-এর জন্য। আত্মসংযম, তাকওয়া ও ইবাদতের এই মাস প্রতিবছর ভিন্ন ঋতুতে আসে, ফলে রোজার সময়কালেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি। তবে ১৮ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা গেলে রমজান একদিন আগেই শুরু হতে পারে।
হিজরি সন চন্দ্রচক্রনির্ভর হওয়ায় প্রতিবছর রমজান প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। এ কারণে দিনের দৈর্ঘ্য ও আবহাওয়ার তারতম্যে রোজার সময়ও কম-বেশি হয়। চলতি বছর কোন কোন দেশে দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হবে—এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ভৌগোলিক অবস্থান ও অক্ষাংশভেদে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে রোজার সময়ের পার্থক্য সৃষ্টি হয়। উত্তর গোলার্ধের অধিক উত্তরের দেশগুলোতে দিনের আলো দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় রোজার সময়ও তুলনামূলক বেশি হয়। বিশেষত উত্তর রাশিয়া, গ্রিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের মতো দূর উত্তরের এলাকাগুলোতে দীর্ঘতম সময় রোজা পালনের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডেও ১৬ ঘণ্টার বেশি সময় রোজা রাখতে হতে পারে।’
আরও বলা হয়েছে, উচ্চ অক্ষাংশ ও পার্বত্য অঞ্চল যেমন সুইডেন, নরওয়ে, গ্রিনল্যান্ড এবং উত্তর কানাডার কিছু এলাকায় দিনের আলো অত্যন্ত দীর্ঘ হওয়ায় রোজার সময় কখনো কখনো ২০ ঘণ্টার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারে।
বিশেষ ব্যবস্থার সুযোগ
যেসব অঞ্চলে দিনের দৈর্ঘ্য অস্বাভাবিকভাবে বেশি, সেখানে বসবাসরত মুসলমানদের জন্য বিশেষ নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা। এমন পরিস্থিতিতে রোজাদাররা চাইলে মক্কার সময়সূচি অনুসরণ করতে পারেন অথবা কাছাকাছি কোনো মাঝারি দিনের শহরের সময় মেনে রোজা ও নামাজ আদায় করতে পারেন।