রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
🍛 “গরম ভাতে স্বর্গের স্বাদ! শিং মাছ আর থানকুনিপাতার এই রেসিপি একবার খেলেই বারবার রান্না করতে মন চাইবে!”
অনলাইন ডেস্ক
প্রাচীন বাংলার রান্নাঘরে যেমন ঘ্রাণ ছড়াতো দেশি মাছ আর ঔষধিগুণে ভরপুর পাতা, তেমনি আধুনিক রান্নাতেও এখন আবার ফিরছে সেই স্বাদ আর সুস্থতার ছোঁয়া। শিং মাছ আর থানকুনিপাতার এই অসাধারণ মিশেল, শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও অনন্য।
🔸 যা যা লাগবে:
শিং মাছ ২৫০ গ্রাম (টুকরা করে ধোয়া ও পানি ঝরানো), থানকুনিপাতা ১ আঁটি (ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরানো), তেল ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ও পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ করে, রসুনবাটা ১ চা চামচ, হলুদগুঁড়া ও মরিচগুঁড়া আধা চা চামচ করে (বা রুচিমতো), জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, টমেটোকুচি ২টি, কাঁচা মরিচ ৪টি এবং পানি প্রয়োজনমতো।
🔸 রান্নার জাদুকরি পদ্ধতি:
প্রথমেই শিং মাছগুলো পরিষ্কার করে টুকরা করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এরপর মাছের পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। থানকুনিপাতাও পরিষ্কার করে ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে যাতে রান্নার সময় অতিরিক্ত পানির জন্য স্বাদ নষ্ট না হয়।
চুলায় তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি রং হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর পেঁয়াজবাটা, রসুনবাটা, হলুদ, মরিচ ও জিরার গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলার ঘ্রাণ উঠলে তাতে শিং মাছের টুকরা ও টমেটোকুচি যোগ করে আরও কয়েক মিনিট কষাতে থাকুন। মাছ যখন মসলার সঙ্গে একত্রে রঙিন হয়ে উঠবে, তখন পরিমাণমতো পানি দিন।
পানি ফুটে উঠলে তাতে দিন থানকুনিপাতা ও কাঁচা মরিচ। চুলার আঁচ বন্ধ করে ঢেকে রাখুন কিছুক্ষণ, যাতে পাতা ও মরিচের সুবাস পুরো তরকারিতে মিশে যায়।
🟢 এই পদটি শুধু মুখরোচক নয়, বরং হজমশক্তি বাড়াতে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় দারুণ কাজ করে থানকুনিপাতা। আর শিং মাছ তো বরাবরই প্রোটিনসমৃদ্ধ ও শক্তিবর্ধক! গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করলেই পুরো পরিবার প্রশংসায় ভরিয়ে দেবে আপনাকে।
তাই এবার দেরি না করে রান্নাঘরে তৈরি করুন এই বাঙালিয়ানায় মোড়ানো হেলদি রেসিপি।