শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
দুর্নীতির সাথেই রাজনীতি, তদন্তে মোয়াজ্জেমের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
অনলাইন ডেস্ক
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে সরাসরি অনুরোধ করেছেন।
শনিবার (২৪ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাসে তিনি এসব তথ্য জানান।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দুর্নীতির অভিযোগ ও গুঞ্জন উঠতেই আমি নিজেই দুদককে বিষয়টি তদন্তের জন্য জানিয়ে দিয়েছি। এ অনুসন্ধানে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুর্নীতিতে কেউ জড়িত থাকলে তার পরিচয় যাই হোক, রাষ্ট্রীয় আইন অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে—এটাই আমাদের দেশ বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী অঙ্গীকার। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব আমাদের সুনিশ্চিত করছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’
নিজেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা ছড়ানো হচ্ছে, কিন্তু সত্য ও নৈতিক সাহস আমার জন্য সর্বোচ্চ মূল্যবান। তাই আমি নিজেই অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছি।’
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘দুদক নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্ত শেষ করবে এবং সত্য উন্মোচিত হবে। আমরা চাই এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যা সততা, দায়বদ্ধতা ও সুশাসনের পথ প্রদর্শক হবে।’
এদিকে, সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের বিদেশ যাত্রা নিষিদ্ধ করেছে দুদক। একইসঙ্গে তার এনআইডি ব্লক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। শনিবার (২৪ মে) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত দুদকের উপসহকারী পরিচালক মিনু আক্তার সুমির নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল মোয়াজ্জেম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি উপদেষ্টার এপিএস হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদবির ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
জিজ্ঞাসাবাদের পর মোয়াজ্জেম গণমাধ্যমকে দাবি করেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। একদল ছাত্রদের টার্গেট করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’