1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রাজশাহীতে প্রতারণা করে তিন কোটি টাকাসহ লাপাত্তা এনজিও - Janatar Jagoron

রাজশাহীতে প্রতারণা করে তিন কোটি টাকাসহ লাপাত্তা এনজিও

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫
  • ২৮৯ বার পঠিত
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও আল-বায়া এনজিও

তিন কোটি টাকাসহ বেপাত্তা, এনজিওর প্রতারণা ফাঁস!
গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাগমারায় চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা! ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় শতাধিক আমানতকারীর ঘাম ঝরানো প্রায় তিন কোটি টাকা নিয়ে হাওয়া হয়ে গেছে বেসরকারি এনজিও আল-বায়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড। এই প্রতারণার নাটের গুরু—পরিচালক আক্কাছ আলী মাষ্টার ও তার দুই ছেলে। ভয়াবহ এই ঘটনায় দিশেহারা আমানতদার ভুক্তভোগীরা আশ্রয় নিয়েছেন সাংবাদিকদের দ্বারে।

রোববার ১৮ মে বিকেল সাড়ে চারটায় বাগমারা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা দাবি করেন, সরকারের হস্তক্ষেপ ছাড়া তারা তাদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত পাবেন না। তারা আকুল আবেদন জানান প্রশাসনের প্রতি—প্রতারকদের গ্রেপ্তার করে টাকা ফিরিয়ে দিন!

২০১৬ সালে গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের তেলিপুকুর গাঙ্গোপাড়ার আক্কাছ আলী প্রতিষ্ঠা করেন ‘আল-বায়া’। ২০১৭-১৮ সালে সরকার থেকে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের অনুমতি নিয়ে শুরু করেন কার্যক্রম। ধাপে ধাপে তিনি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও সভাপতি হন। ছেলেকে বানান সাধারণ সম্পাদক, ভাগিনাকে বানান ক্যাশিয়ার। শুরু হয় চাতুর্যময় প্রতারণার খেল!

পাশ বই আর মানি রিসিভের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে কৌশলে নেয়া হয় মোটা অংকের আমানত। মুনাফার লোভ দেখিয়ে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করেন আক্কাছ আলীরা। কিন্তু টাকা ফেরত চাইলে শুরু হয় তালবাহানা। শেষে একদিন অফিসে গিয়ে দেখা যায়—তালাবদ্ধ দরজা, হাওয়া কর্মকর্তারা!

ভুক্তভোগী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, “তারা প্রথমে সময়মতো মুনাফা দিয়ে আমাদের বিশ্বাস অর্জন করে, পরে আমাদের জমা টাকাই গিলে ফেলেছে।”

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন আক্কাছ আলী নিজেই! তার বক্তব্য, “মাঠ পর্যায়ে টাকা উঠাতে পারছি না, তাই ফেরত দিতে পারছি না।”

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাজেকোলা, উত্তরএকডালা, মচমইলসহ একাধিক গ্রামের দুঃখ ভারাক্রান্ত আমানতদাররা—শাহাদৎ হোসেন, মতলেবুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, মোছাঃ জোসনা বেগম, রফিক, রহিদুলসহ আরও অনেকে।

তাদের একটাই দাবি—অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আমানতের টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা।

অন্যথায় তারা কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..