বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করতে তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শন করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেন, নাশকতা না দুর্ঘটনা তা নিয়ে মন্তব্য করার জন্য এখনও পরিস্থিতি পর্যাপ্ত নয়। তিনি জানান, তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
পরিদর্শন শেষে, বেলা ১২:৪৫ মিনিটের দিকে তারা সচিবালয় ত্যাগ করেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার রাতে একটি অফিস আদেশে আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেয়, যার আহ্বায়ক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং সদস্য সচিব ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
২৫ ডিসেম্বর রাতে, ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে, পরে তা বাড়িয়ে ২০ ইউনিট করা হয়। অগ্নিনির্বাপক কাজের সময় ফায়ার ফাইটার শোয়ানুর জামান নয়ন ট্রাকের চাপায় নিহত হন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে, রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের নথি পুড়ে গেছে।
এই মন্ত্রণালয়গুলো হলো: যুব ও ক্রীড়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান, স্থানীয় সরকার এবং সড়ক ও পরিবহন।
পুড়ে যাওয়া নথিপত্রের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নথি অনলাইনে সংরক্ষিত থাকায় তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র পুরোটাই অ্যানালগ পদ্ধতিতে সংরক্ষিত ছিল, তাই পুড়ে যাওয়া নথিগুলো কতটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব, তা নিরূপণ করতে মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।