রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
পাতে দিলে সবাই বলবে ‘আরও দাও’—চিংড়ি-লতির ঘ্রাণে মাতোয়ারা হবে মন
অনলাইন ডেস্ক
বাঙালির রসনা মানেই ঐতিহ্য, আর সেই ঐতিহ্যের মাঝে এক অপূর্ব নাম—চিংড়ি মাছ আর কচুর লতির মোহময় মেলবন্ধন। বর্ষাকালের নরম কচুর লতি আর রসালো চিংড়ির জুটি যেন একেকটা কবিতা! এই রান্নাটা এমন, যা শুধু ভাতে নয়—মনেও ছাপ ফেলে। চলুন জেনে নিই চিংড়ি-কচুর লতির সেই জাদুকরী রেসিপিটি।
প্রথমেই কচুর লতির আঁশ ছাড়িয়ে ধুয়ে টুকরো করে নিন। এরপর বেশি পরিমাণ পানিতে অল্প লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখুন। মনে রাখবেন—লতি যেন বেশি নরম না হয়ে যায়।
চিংড়ি মাছের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চাইলে অল্প হলুদ ও লবণ দিয়ে ম্যারিনেট করে রাখতে পারেন।
একটি বড় প্যানে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি দিন। হালকা বাদামি রঙ হয়ে এলে কেটে রাখা কাঁচা মরিচ যোগ করুন।
এবার দিন হলুদ, লাল মরিচ ও ধনেগুঁড়া—একটু পানি ছিটিয়ে দিন যেন মসলা পুড়ে না যায়। এর মধ্যে পেঁয়াজবাটা, আদাবাটা ও রসুনবাটাও দিন। নেড়ে নেড়ে মসলা কষান যতক্ষণ না তেলের আলাদা আস্তরণ দেখা যায়।
চিংড়ি মাছ দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলা যেন মাছের সাথে ভালোভাবে মিশে যায়। কষানো হয়ে গেলে সেদ্ধ করা কচুর লতি দিয়ে দিন।
লবণ ও চিনি মিশিয়ে পাঁচ মিনিটের মতো ঢেকে রাখুন। খেয়াল রাখবেন লতির টেক্সচার যেন ভেঙে না যায়। এতে রেসিপির সৌন্দর্য হারাবে।
চিংড়ি ও কচুর লতির এই পদ শুধু খাবার নয়—এটা নস্টালজিয়ার স্বাদ। এক চামচ মুখে দিলেই মনে পড়ে যাবে মায়ের হাতের রান্না, গ্রামীণ উঠোন আর বৃষ্টির দিনের গল্প। এই রেসিপি বানিয়ে দেখুন—প্রিয়জন বলবে, “আজকের রান্নায় ছিল ভালোবাসার ছোঁয়া।