1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কোটি টাকা হাতিয়ে প্রবাসে উধাও জামালপুরের প্রতারক! ইতালি যাওয়ার টোপ! - Janatar Jagoron

কোটি টাকা হাতিয়ে প্রবাসে উধাও জামালপুরের প্রতারক! ইতালি যাওয়ার টোপ!

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫
  • ২২৩ বার পঠিত
প্রতারক

বিদেশে নেয়ার নামে কোটি টাকার প্রতারণা! জামালপুরের ৩০-৩৫ যুবকের সর্বনাশ

শাকিল, জামালপুর

জামালপুর সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নের ঝাওলা গোপালপুর গ্রামে এক ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ! ইতালিতে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছেন আজহার আলী (রাজ) নামে এক ইতালি প্রবাসী। তার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়েছে বহু যুবক, কিন্তু কেউই পায়নি প্রতিশ্রুত গন্তব্য!

ভুক্তভোগীরা জানান, আজহার দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে অবস্থান করে দেশে এসে গ্রামের সহজ-সরল যুবকদের ইউরোপে নেয়ার প্রলোভন দেখাতেন। রুবেল নামে এক যুবকের কাছ থেকে নিয়েছেন ৩৭ লাখ টাকা, নূর মোহাম্মদের কাছ থেকে ১৮ লাখ, শফিকের কাছ থেকে ৭ লাখ, মোশাররফের কাছ থেকে ১১ লাখ এবং বাবুলের কাছ থেকে ৭ লাখ। শুধু তাই নয়, পুরো বাঁশচড়া ইউনিয়নের অন্তত ৩০-৩৫ জনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই প্রতারক। কিন্তু কাউকেই বিদেশে পাঠাননি!

স্থানীয় রাজ মাহমুদ বলেন, “আজহার একজন ভয়ানক প্রতারক! সে ইতালি থেকে এসে আমাদের গ্রামের তরুণদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। এখন বিদেশে পালিয়ে গিয়ে আমাদের কোনো খোঁজই নেয় না।”

রুবেল বলেন, “আমি আমার কৃষি জমি ও ট্রাক বিক্রি করে ৩৭ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। এখন আমি পথে বসেছি। টাকার কথা বললেই তার পরিবার উল্টো হুমকি দেয়।”

নূর মোহাম্মদ বলেন, “আমার ১৮ লাখ টাকা গেছে, এখন হতাশায় ভুগছি। এই চিন্তায় আমি দুইবার স্ট্রোক করেছি। কিন্তু আজহারকে খুঁজে পাচ্ছি না।”

একাধিকবার ফোন করেও আজহার আলীর কোনো খোঁজ মেলেনি। এমনকি তার বাড়িতেও কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রতারণার শিকার রুবেল, আশিক আহমেদসহ অনেকেই জামালপুর আদালতে মামলা করেছেন। তারা দ্রুত তদন্ত ও শাস্তি দাবি করেছেন।

প্রশ্ন উঠছে – এত বড় প্রতারণার পরও আজহার কেন অধরা? প্রশাসনের ভূমিকা কী?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..