রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
“শরীরে ব্যথা, গেঁটে বাত আর কিডনির ক্ষতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা এক নিরব ঘাতক—ইউরিক এসিড। না জানলে বিপদ!”
অনলাইন ডেস্ক
আমাদের শরীর প্রতিনিয়ত নানা রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো পিউরিন নামক যৌগ ভেঙে ইউরিক এসিড তৈরি হওয়া। এটি একটি প্রাকৃতিক বর্জ্য পদার্থ, কিন্তু শরীরে এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা হয়ে ওঠে এক ভয়ঙ্কর বিপদের কারণ। অতিরিক্ত ইউরিক এসিড ধীরে ধীরে জমে গিয়ে গাঁটে ব্যথা, আর্থ্রাইটিস এমনকি কিডনি বিকলের মতো সমস্যাও ডেকে আনতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত রেড মিট, অর্গান মিট, শেলফিশ, সার্ডিন ও ম্যাকেরেলের মতো মাছ পিউরিনসমৃদ্ধ হওয়ায় তা এড়িয়ে চলা উচিত। এছাড়া অ্যালকোহল সেবন, ওবেসিটি, কিডনির কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া এবং প্রস্রাব বৃদ্ধিকারী ওষুধ ইউরিক এসিড বাড়াতে সহায়ক।
পুরুষদের জন্য স্বাভাবিক ইউরিক এসিডের মাত্রা: ৩.৪–৭.০ mg/dL,
নারীদের জন্য: ২.৪–৬.০ mg/dL। এর চেয়ে বেশি হলে আপনার সতর্ক হওয়া জরুরি।
ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে করণীয়:
✅ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন – ফাস্টফুড, চিনিযুক্ত পানীয় কমান, বেশি করে ফল ও শাকসবজি খান।
✅ হাইড্রেশন বজায় রাখুন – প্রতিদিন অন্তত ২–৩ লিটার পানি পান করুন।
✅ ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন – প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন।
✅ ফাইবারযুক্ত খাবার – ছোলা, মুগডাল, ওটস ফাইবারে ভরপুর, যা ইউরিক এসিড কমাতে সাহায্য করে।
শরীর সুস্থ রাখতে হলে এই নিরব ঘাতক ইউরিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেই হবে।
আপনি জানতেন কি? ইউরিক এসিড বেশি হলে শরীরের ভেতরেই জমে ওঠে বিষ!