শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক,
ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়াকে চাপে রাখার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট রাশিয়ার তেল বাণিজ্যেও হস্তক্ষেপ করেছে। তবে ভারতসহ কিছু দেশের সঙ্গে মস্কোর বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে এই প্রচেষ্টা পুরোপুরি সফল হয়নি। রাশিয়ার দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ভারত কম দামে তেল কিনছে।
জো বাইডেন প্রশাসন এতে তেমন বাধা না দিলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তুষ্ট ছিলেন। তার প্রশাসন রাশিয়ার সঙ্গে তেল বাণিজ্য অব্যাহত রাখার শাস্তি হিসেবে ভারতের ওপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মাথা নত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
বর্তমানে, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রি বলেছেন, ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়ার তেল থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনাও আবার শুরু হয়েছে। জেমিসন বলেন, “ভারত বাস্তববাদী দেশ। তারা নিজ সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা অন্য দেশকে তাদের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করতে বলছি না।”
পুতিনও ভারতীয় বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, “ভারত যদি আমাদের জ্বালানি সরবরাহ প্রত্যাখ্যান করে, তবে ক্ষতি হবে। তবে ভারতের মানুষ তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত দেখবে; তারা কারও কাছে মাথা নত করবে না।”
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ, রাশিয়া থেকে তেল কেনার মাধ্যমে ভারত ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনকে অর্থনৈতিক সাহায্য করছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার সামরিক অভিযান ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে মস্কোর জ্বালানি সরবরাহ কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে ভারত রুশ অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশটির মোট চাহিদার ৪০ শতাংশ পূরণ হয়।